রবিবার, ১৬ই জুন, ২০১৯ ইং, ২রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

ইরানিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

পোস্ট হয়েছে: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬ 

news-image

গত ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকাস্থ ইরানিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভায়েজী দেহনাভী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. রাবেয়া নাজনীন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরানি ভিজিটিং প্রফেসর ড. ফরহাদ দরুদগারিয়ান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল ও ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ মূসা হোসেইনী। বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ভাইস প্রিন্সিপাল জনাব আব্দুল কুদ্দুস বাদশা। কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্বারী মো. আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত পতœী, কালচারাল কাউন্সেলরের পতœী, বিদ্যালয়ের বিদায়ী ভাইস প্রিন্সিপাল ড. জহির উদ্দিন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের কোঅর্ডিনেটর ফারিনা রশিদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুরা ইরান ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা শিক্ষার্থী ও বর্ষসেরা অভিভাবককে পুরস্কৃত করা হয়।

thumbnail_img_6516

ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভায়েজী দেহনাভী অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, মহান আল্লাহ প্রতিটি শিশুকে পবিত্র ফিতরাতের ওপর সৃষ্টি করেছেন- পরবর্তীকালে বাবা-মা, শিক্ষক, পরিবেশ তার ব্যক্তিত্ব গঠনে নানা পরিবর্তন নিয়ে আসে। তিনি বলেন, শিশু প্রকৃতি থেকে বড়দেরও অনেক শেখার আছে। যেমন, শিশুরা অল্পে সন্তুষ্ট হয়, স্থায়ীভাবে হিংসা করে না, খেলনা ঘর বানায় ও ভাঙ্গেÑ এ থেকে দুনিয়ার জীবনের ক্ষণস্থায়িত্বের শিক্ষা আছে। শিশুরা বাবা-মার ওপর খুব নির্ভর করেÑ এ থেকে খোদানির্ভরতার শিক্ষা পাওয়া যায়। শিশুদের অল্পতেই কান্না করার অভ্যাস থেকে বড়রা মাঝে মাঝে খোদার দরবারে কান্নার মাধ্যমে অন্তর পরিষ্কার করতে পারে। তিনি শিশুদের মাঝে যে আগামী দিনের বিপুল সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে তার লক্ষ্যপাণে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

thumbnail_img_6447

প্রফেসর ড. রাবেয়া নাজনীন বলেন, শুধু পুথিগত শিক্ষা নয়; বরং নৈতিক ও মনুষ্যত্ব শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। জানাকে মানতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের নবীজী (সা.) যুদ্ধ করে নয়, শিক্ষার আলো দিয়ে মানুষের মনকে আলোকিত করেছিলেন।

ড. দরুদগারিয়ান শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, নবী-রাসূলগণ সমাজে শিক্ষক হিসেবে আগমন করেছিলেন। শিক্ষকতা একটি পবিত্র ও মহান পেশা।

জনাব সাইয়্যেদ মূসা হোসেইনী শিক্ষাবর্ষ ২০১৬ এর একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন এবং ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ও অ্যাকাডেমিক বিষয়ের প্রস্তুতির দিকগুলো বর্ণনা করেন। তিনি ইরানিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলকে ইরান-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন হিসেবে উল্লেখ করেন।