বৃহস্পতিবার, ৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

English

ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের আগ্রাসন অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়ালের অপকৌশল: ডেমোক্র্যাট নেতৃবৃন্দ

পোস্ট হয়েছে: জানুয়ারি ৫, ২০২৬ 

news-image

পার্সটুডে- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনায় মার্কিন ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

‘পলিটিকো’-সহ বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের এই অভিযানকে শুধু অবৈধই নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যাগুলো থেকে জনমতকে বিভ্রান্ত করার একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পরিবহনমন্ত্রী পিট বুটিজেজ জোর দিয়ে বলেছেন, বর্তমানে যখন সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে তখন আমেরিকার জনগণের মধ্যে ভিন্ন দেশ শাসন করার কোনো খায়েশ নেই। একইভাবে, ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট গভর্নর জে.বি. প্রিটজকার সতর্ক করে বলেছেন, কোনো দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ছাড়াই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, যা মার্কিন সেনাদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটি এক বিবৃতিতে ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত এই অভিযানকে “অবৈধ যুদ্ধ” বলে আখ্যা দিয়ে একে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সংবিধানের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০২৮ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাব্য কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বীও জোর দিয়ে বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় হস্তক্ষেপের পেছনে গণতন্ত্র বা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো ইস্যু ছিল না; বরং ট্রাম্পের প্রকৃত লক্ষ্য হলো জ্বালানি সম্পদের ওপর মনোযোগ দেওয়া এবং দেশের ভেতরের সমস্যা সমাধানের বদলে পররাষ্ট্রনীতিকে সামনে আনা।

এসব বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট, ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দিতে পারে, যা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী বিতর্কেও প্রভাব ফেলবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে সেদেশের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করেছে।#

পার্সটুডে