রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

English

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া: আমরা আত্মরক্ষা করছি

পোস্ট হয়েছে: জুন ৭, ২০২৬ 

news-image

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিরিক অঞ্চল ও কেশম দ্বীপে রাডার ও উপকূল পর্যবেক্ষণ স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এসব স্থাপনার দায়িত্ব ছিল দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক জলপথে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এটিকে যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক ও উসকানিমূলক আচরণের ধারাবাহিকতায় এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতিগুলোর প্রতি অবজ্ঞা।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকার ও পূর্ণ সতর্কতা, দৃঢ়তা ও ক্ষমতার ভিত্তিতে এই আগ্রাসনের উপযুক্ত ও কার্যকর জবাব দিয়েছে এবং এই আক্রমণের পরিকল্পনাকারীদের অশুভ উদ্দেশ্য সফল হতে দেয়নি।বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, দেশটি কেবল উত্তেজনা কমানো বা স্থিতিশীলতার পথে ফেরার কোনো ইচ্ছা রাখে না; বরং তাদের দুঃসাহসিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে গুরুতর ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড ও সম্ভাব্য উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওপর বর্তায়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার বৈধ ও স্বাভাবিক অধিকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান তার সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বশক্তি ও সকল সক্ষমতা ব্যবহার করবে। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় আঞ্চলিক দেশগুলোকে সুপ্রতিবেশী সংক্রান্ত নীতি অনুসরণ ও আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি অনুযায়ী কোনো আগ্রাসী পক্ষকে তাদের ভূখণ্ড ও সম্পদ ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা পরিচালনার সুযোগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।#

পার্সটুডে