ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নত করার পর ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা আরো শক্তিশালী হয়েছে: শীর্ষ জেনারেল
পোস্ট হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬
ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন যে তার দেশ দেশীয়ভাবে তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আরো উন্নত করে করে তার প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করেছে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি বুধবার ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র ক্ষেপণাস্ত্র শহর পরিদর্শনকালে এই মন্তব্য করেন।
তিনি আইআরজিসি এরোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভির সাথে এই পরিদর্শনের সময় বলেন, ‘সকল প্রযুক্তিগত দিক থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নতিকরণের মাধ্যমে ইরান তার প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের এই শীর্ষ জেনারেল আরো বলেন, ‘১২ দিনের যুদ্ধের পর আমরা অপ্রতিসম যুদ্ধের নীতি গ্রহণ করি এবং শত্রুদের প্রতি চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি বৃদ্ধি করে আমাদের সামরিক নীতিকে প্রতিরক্ষামূলক থেকে আক্রমণাত্মক করে তুলেছি।’
তিনি গত জুনে ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের কথা উল্লেখ করছিলেন, যেখানে কমপক্ষে ১,০৬৪ জন নিহত হয়েছিল। ১৩ জুন ইরান যখন আমেরিকার সাথে পারমাণবিক আলোচনায় বসার কথা ছিল তখন ইসরায়েল বিনা উস্কানিতে যুদ্ধ শুরু করে এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে আমেরিকা এই আগ্রাসনে যোগ দেয়।
প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত অঞ্চল জুড়ে এবং পশ্চিম এশিয়ার বৃহত্তম মার্কিন সামরিক স্থাপনা আল-উদেইদে কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এরপর থেকে ইরান তার প্রতিরক্ষামূলক এবং আক্রমণাত্মক উভয় ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের উপর আক্রমণের হুমকি দেওয়ার পর এই অঞ্চলটি আবারও আরেকটি সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।#
পার্সটুডে