মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

English

ড. লারিজানির শাহাদাতের চল্লিশতম দিন উপলক্ষে আরাঘচির বার্তা

পোস্ট হয়েছে: এপ্রিল ২৮, ২০২৬ 

news-image

তাসনিম সংবাদ সংস্থার আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাঘচি ড. আলি লারিজানির শাহাদাতের চল্লিশতম দিন উপলক্ষে এক বার্তা প্রকাশ করে জোর দিয়ে বলেছেন:

ড. আলি লারিজানির শাহাদাতের চল্লিশতম দিন এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আজ তার অনুপস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অনুভূত হচ্ছে। শহীদ ড. লারিজানির ব্যক্তিত্ব ছিল সাহস, ধৈর্য ও প্রজ্ঞার এক নির্যাস—দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় অঙ্গনেই। তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি কঠিন রাজনৈতিক ও কৌশলগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন চিন্তাবিদ ও প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

তিনি সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন ছিলেন, যিনি রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার ক্ষেত্র হিসেবে দেখেননি; বরং এটিকে নৈতিক দায়িত্ব ও ঐতিহাসিক প্রজ্ঞার একটি ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করতেন।

 

এই বার্তার একটি অংশে বলা হয়েছে:

এই বৈশিষ্ট্য তার মধ্যে কঠিন মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস এবং চাপের মুখে আত্মসংযম হিসেবে প্রকাশ পেত। সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে একজন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার সাহস স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছিল; তবে যা তার ব্যক্তিত্বকে আরও গভীরতা দিয়েছে, তা হলো চাপ ও চ্যালেঞ্জের মুখে সচেতন ধৈর্য—যার ফলে তিনি সবসময় দৃঢ় কিন্তু শান্ত, বিচক্ষণ এবং আবেগমুক্ত পথ বেছে নিতেন।

আরাঘচি এই বার্তায় আরও জোর দিয়ে বলেন:

ইরানের জন্য তার উপস্থিতি কেবল একজন প্রশাসক বা কূটনীতিকের উপস্থিতি ছিল না; বরং তিনি ছিলেন দেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থার জন্য এক চিন্তাশীল ও আস্থার কেন্দ্রবিন্দু। জটিল মুহূর্তে অনেকেই তার বিশ্লেষণ, প্রজ্ঞা ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করতেন। এমন একটি সম্পদের অভাব শুধু একজন ব্যক্তির অনুপস্থিতি নয়; বরং এটি একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও জাতীয় ভিত্তির অনুপস্থিতি।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি