বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

English

হামেদানেরঐতিহাসিক গুরুত্ব

পোস্ট হয়েছে: জুলাই ৭, ২০২২ 

news-image

ইরানের পশ্চিম  ইরানের পশ্চিম মধ্য  প্রদেশ  হামেদানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে  থাকা ১০টি ঐতিহাসিক সম্পত্তির  নতুন সীমানা নির্ধারণ  করা হয়েছে। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা সিএইচটিএনএই খবর দিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সাংস্কৃতিকঐতিহ্য, হস্তশিল্প এবং পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রদেশের গভর্নর–জেনারেলকে দেওয়া পৃথক চিঠিতে সম্পত্তিগুলির সঠিক আইনি সীমানা ঘোষণা করেছে।সীমানা নির্ধারণ প্রকল্পগুলির লক্ষ্য হল অধিকতর ধ্বংস এবং ক্ষতি রোধ করার পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থানগুলিকে সংরক্ষণ ও সুরক্ষা করা। হামেদানের ঐতিহাসিক এসব সম্পত্তি হল শরিয়তি হাই স্কুল, এবাদি ম্যানশন এবং দোলতাবাদ পাহাড়। সম্প্রতি এই তিন ঐতিহ্যবাহী স্থানের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।শাস্ত্রীয় সময়ে একবাটানানামে পরিচিত হামেদানছিল প্রাচীন বিশ্বেরঅন্যতম সেরা শহর। দুঃখজনকভাবে প্রাচীনকালের নিদর্শনগুলোর সামান্যই অবশিষ্ট আছে। তবে শহরের কেন্দ্রস্থলের উল্লেখযোগ্য অংশগুলি খননের জন্য দেওয়া হয়েছে।একবাটানা ছিল মিডিয়ার রাজধানী। পরবর্তীকালে এটি হাখামানশি রাজাদেরগ্রীষ্মকালীন বাসস্থান ছিল। হাখামানশি রাজারা ৫৫৩ থেকে ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দপর্যন্ত পারস্য শাসন করে।হামেদানের অনেক নাম রয়েছে।এটি সম্ভবত অ্যাসিরিয়ানদের কাছে বিট দাইউকি, মেডিসদের কাছে হাংমাতানা বা আগবাটানা এবং গ্রীকদের কাছে একবাটানা নামে পরিচিত ছিল। সাইরাস দ্বিতীয় (তিনি ৫২৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ মারা যান) এর অধীনে এটি অন্যতম মিডিয়ান রাজধানী ছিল। পরবর্তীতে হাখামানশি শাসকদের সময় একটি রাজকীয়গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদের স্থান ছিল।হামেদান আগস্টে শীতল থাকে। তবে ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত তুষারপ্রবণ এবং বরফপ্রবণ থাকে। গ্রীষ্মে বাতাসে প্রায়ই কুয়াশাথাকে। হামেদানের আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে আলী সদর গুহা, গঞ্জনামেহ শিলালিপি, আভিসেনা সমাধি, হেগমাতানেহ পাহাড়, আলাভিয়ান গম্বুজ, জামেহ মসজিদ এবং সেন্ট স্টেফানোস গ্রেগরিয়ান চার্চ অন্যতম। সূত্র: তেহরান টাইমস।