বাকাই : পারস্য উপসাগর একটি সভ্যতাগত বাস্তবতা এবং ইরানের জাতীয় পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ
পোস্ট হয়েছে: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই পারস্য উপসাগরের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও পরিচয়গত অবস্থানের ওপর জোর দিয়ে বলেন: পারস্য উপসাগর শুধু ইরানের ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত একটি জলভাগ নয়; বরং দমাভান্দ পর্বতের মতোই এটি একটি স্থায়ী সভ্যতাগত বাস্তবতা এবং ইরান ও অঞ্চলের পরিচয়, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ইরানের ইতিহাসে পারস্য উপসাগরের নাম বীরত্ব, অভিযোজনক্ষমতা, সহাবস্থান, পারস্পরিক যোগাযোগ ও বোঝাপড়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এই জলভাগটি সবসময়ই ইরান ও বিশ্বের মধ্যে সংযোগের সেতু হিসেবে কাজ করেছে—এমনকি বলা যায়, এর অস্তিত্ব ছাড়া ইরান পূর্ণতা পেত না।
এই পরিচয় ক্ষণস্থায়ী আবেগ থেকে সৃষ্টি নয়; বরং এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—প্রাচীন শিলালিপি, ঐতিহাসিক ও সমকালীন ভূগোলিক মানচিত্র থেকে শুরু করে উপকূলবর্তী জনগণের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং শতাব্দীপ্রাচীন বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক আদান–প্রদান—যার সবকিছুই পারস্য উপসাগরের সঙ্গে ইরানের অটুট সম্পর্কের সাক্ষ্য বহন করে।
সূত্র: আইআরএনএ