আইআরজিসি নৌবাহিনীর উপকমান্ডার: হরমুজ প্রণালীর আকাশ, পৃষ্ঠ ও পানির নিচে আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
পোস্ট হয়েছে: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
ইরান হরমুজ প্রণালীর আকাশ, সমুদ্রপৃষ্ঠ ও সমুদ্রের নিচ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করে এবং এই কৌশলগত জলপথের নিরাপত্তা তেহরানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। যদি যুদ্ধ শুরু হয়, এক মিলিমিটারও পিছু হটা হবে না এবং ইরানের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।
হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা এখন আর ঐতিহ্যগত নয়; এটি পুরোপুরি স্মার্ট ও আধুনিক। ইরানের কাছে সব সামুদ্রিক, পৃষ্ঠ ও সাব-সারফেস গতিবিধির ওপর মুহূর্তে মুহূর্তে পূর্ণ নজরদারি রয়েছে।
বিভিন্ন পতাকাবাহী জাহাজ চলাচল করবে কি না—এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে।
প্রতিবেশী দেশগুলো আমাদের বন্ধু; তবে যদি তাদের ভূমি, আকাশ বা জলসীমা ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তাদেরকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে। এই বার্তা আঞ্চলিক পক্ষগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
আমরা চাই না বৈশ্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হোক, কিন্তু যে যুদ্ধ আমেরিকা ও তাদের সমর্থকেরা শুরু করেছে, সেখান থেকে তারা যেন কোনো লাভ তুলতে পারে—তাও হতে দেওয়া হবে না।
উল্লিখিত বিষয়গুলোর পাশাপাশি আরও কিছু সক্ষমতা রয়েছে, যা উপযুক্ত সময়ে প্রকাশ করা হবে।
কেন হরমুজ প্রণালী জ্বালানি সমীকরণে ইরানের ‘মূল চাবিকাঠি’?
প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়, যা বিশ্ব সামুদ্রিক তেল বাণিজ্যের প্রায় ৩৭%।
এই জলপথে বিঘ্ন ঘটলে কী হবে?
বৈশ্বিক তেলবাজারে বড় ধাক্কা
তেলের দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা
এটি একটি কৌশলগত বাস্তবতা, কারণ এই জলপথে বিঘ্ন সৃষ্টি করার কার্যকর সক্ষমতা ইরানের জন্য কঠিন কিছু নয়। তেহরান ভালো করেই জানে—এই ৩৩ কিলোমিটার একটি এমন লিভার, যা ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন অর্থনীতিকেও কাঁপিয়ে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, যে আগুন আমেরিকা শুরু করেছে, তাতে পুরো অঞ্চল জ্বলে উঠবে।
সূত্র: ফার্স নিউজ