সোমবার, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

English

রেজায়ি: আমরা আলোচনায় যেমন সিরিয়াস, যুদ্ধে তার চেয়েও বেশি সিরিয়াস

পোস্ট হয়েছে: মে ১৮, ২০২৬ 

news-image

ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, আমরা আলোচনায় সিরিয়াস এবং যুদ্ধে আরও বেশি সিরিয়াস।

প্রথম পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধকালে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মোহসেন রেজায়ি বলেন, আলোচনায় প্রথমে আমেরিকাকেই বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন: আমরা আলোচনায় আন্তরিকভাবে অংশ নিচ্ছি; যুদ্ধ ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আমরা আরও বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের চীন সফর এমন সময় হয়েছে যখন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় ছিল। ট্রাম্প এমন সময় চীন সফরে যেতে চেয়েছিলেন যখন তিনি শক্তিশালী অবস্থানে থাকবেন, কিন্তু ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি তাকে দুর্বল অবস্থানে চীন সফরে যেতে বাধ্য করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করছেন, চীনও চায় না ইরানের পারমাণবিক বোমা থাকুক; অথচ ইরান নিজেই বারবার বলেছে যে, তারা পারমাণবিক বোমা চায় না এবং এ ধরনের অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করেনি। পাশাপাশি, সর্বোচ্চ নেতার ফতোয়াও এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও তা স্বীকার করেছে।

রেজায়ি বলেন, ট্রাম্প দাবি করছেন চীনের প্রেসিডেন্ট হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার ওপর জোর দিয়েছেন। অথচ আমরাও বলছি, বাণিজ্যের জন্য প্রণালী খোলা আছে, তবে সামরিক সমাবেশ ও যুদ্ধের জন্য তা বন্ধ। নিঃসন্দেহে চীনের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যও একই অর্থ বহন করে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতির উদ্দেশ্য কী, চীনের মোকাবিলা করা ছাড়া? তাহলে কেন আমরা এই সংঘাতের খরচ বহন করব?

সুপ্রিম কাউন্সিল অব ইকোনমিক কো-অর্ডিনেশনের সচিব আরও বলেন, এই দুটি তথাকথিত অর্জনের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শুল্ক প্রত্যাহার, চীনের মাধ্যমে ইরানি তেল ক্রয় মেনে নেওয়া এবং তাইওয়ান নিয়ে চীনের সতর্কবার্তার বিষয়ে নীরব থাকা। তাই প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি পরাজয় ছিল।#

পার্সটুডে