বুধবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

English

বিশ্বের শীর্ষ দশ পর্যটন গন্তব্যের দেশ ইরান

পোস্ট হয়েছে: অক্টোবর ২৮, ২০২১ 

সাইদুল ইসলাম

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করছে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্বের শীর্ষ দশ পর্যটন গন্তব্যের দেশ ইরান। এজন্য ইরানের ৫টি প্রদেশকে নির্বাচন করা হয়েছে। সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী ভ্রমণ গন্তব্যের প্রতিনিধিত্ব করায় এসব প্রদেশকে বাছাই করা হয়েছে। বিশ্ব পর্যটন দিবসের ছয়দিনের অনুষ্ঠানমালা আরদেবিল, কোরদেস্তান, কেরমানশাহ, কেরমান ও ফার্স প্রদেশে অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রদেশগুলো দেশের নতুন ও ঐতিহ্যবাহী ভ্রমণ রুটের প্রতিনিধিত্ব করে। বিগত দুই বছর ধরে ইরানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পর্যটন ও হস্তশিল্প মন্ত্রণালয় দেশের কম পরিচিত পর্যটন গন্তব্যগুলোকে পরিচয় করাতে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও মানুষকে পর্যটনের গুরুত্বের প্রতি মনোযোগ আকৃষ্ট করতে বিশ্ব পর্যটন দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টকে কাজে লাগাতে বিশেষভাবে উদ্যোগী হয়েছে।
মানব সভ্যতার সুপ্রাচীন ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের অন্যতম লীলাভূমি আজকের ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। বিচিত্র প্রকৃৃতির বিপুল সম্ভারে পরিপূর্ণ এই দেশটি স্মরণাতীতকাল ধরে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। প্রায় সব ধরনের পর্যটককে কোনো না কোনোভাবে আকৃষ্ট করতে সক্ষম ইরান। আপনি যদি সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে ইরান আপনার জন্য হবে স্বর্গ। আপনি যদি শিল্পে আগ্রহী হন তাহলে এখানকার মনোমুগ্ধকর স্থাপত্য ও জাদুঘর আপনাকে দেবে পরমানন্দ। আর প্রকৃতিপ্রেমী হলে তো কথাই নেই। আপনি উপভোগ করবেন সেরা সব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
সুপ্রাচীনকাল থেকে আজকের আধুনিক বিশ্ব; ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে ইরানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশটির ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান, পৌরাণিক কাহিনী, আখ্যান যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করে। ফলে ইরানকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্যটনগন্তব্য হিসেবে বেছে নেয়াটা একেবারেই যৌক্তিক একটা সিদ্ধান্ত হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। উত্তর-পূর্ব শিরাজ প্রদেশের অসাধারণ প্রাচীন শহর পারসেপোলিস থেকে শুরু করে প্রাচীন মানব-বসতিসহ ইরানের সব দর্শনীয় স্থান দেখে বিস্মিত হবেন আপনি। ইসফাহানে দেখবেন অর্ধ-জাহানের সৌন্দর্য! বিস্ময়ের সে ঘোর হয়তো কাটবে প্রকৃতির উজাড় করে দেওয়া ভালোবাসায়। প্রকৃতির এমন ভালোবাসা পাবেন গিলান কিংবা মাযান্দারান প্রদেশে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের দিক থেকে বলতে গেলে ইরানে যেমন রয়েছে পাহাড় আর সাগর, তেমনি রয়েছে বিশাল মরুভূমি, কোথাও নদ-নদী, আবার কোথাও সুবিস্তৃত সমতলভূমি। ইরানের দুই পাশে রয়েছে দুই সাগর অর্থাৎ পারস্য উপসাগর ও কাস্পিয়ান সাগর। ভূমি-বৈচিত্র্যের মতো এখানকার আবহাওয়াতেও রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। সারা ইরানে বসন্ত, গ্রীষ্ম, শরৎ ও শীতÑ এই চারটি ঋতু রয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ বিশাল এলাকাজুড়ে যখন প্রচ- শীত কিংবা তুষারাবৃত তখন দক্ষিণে (পারস্য উপসাগর সংলগ্ন) দিব্যি বসন্তের হাওয়া। আপনি কম খরচে অভ্যন্তরীণ বিমানের কোনো ফ্লাইট ধরে সেখান থেকে সহজেই একটু উষ্ণতা নিতে পারেন। পাহাড়, সাগর, নদ-নদী আর জঙ্গলাকীর্ণ বৈচিত্র্যময় ভূমি এবং আবহাওয়ার কারণে ইরানে পর্যটকের ভিড়ও লেগে থাকে সারা বছর। এশিয়ার বহু দেশ, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা থেকেই আসেন বেশি পর্যটক।
ইউনেস্কোর হিসাব মতে, ইরান বিশ্বের ১০ম প্রধান পর্যটনের দেশ। কেবল ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত স্থান রয়েছে ২৬টি। এই তালিকা ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৭ জুলাই ইরানের উরামানাত সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্যকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহের তালিকায় যুক্ত করেছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংষ্কৃতি সংস্থা ইউনেসকো। ১ লাখ ৬ হাজার হেক্টর ভূখ-ের উরামানাতে কয়েকশ গ্রাম রয়েছে। এর চারপাশ ঘিরে রয়েছে আরও ৩ লাখ ৩ হাজার হেক্টরের দৃষ্টিনন্দন সম্পত্তি। চীনের ফুঝুতে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৪তম অধিবেশনে স্থানটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সারভাবাদ কাউন্টির ঢালে ছড়িয়ে থাকা উরামানাত ভূদৃশ্যের কিছু অংশ কোরদেস্তান ও কিছু অংশ কেরমানশাহ প্রদেশে পড়েছে। এখানকার সারি সারি ঘরগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যার নিচের ঘরের ছাদ উপরের ঘরের আঙ্গিনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বসতিটির অসাধারণ এই বৈশিষ্ট্য দারুণ আকর্ষণ তৈরি করেছে। একই মাসে এক হাজার চারশ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রান্স-ইরানিয়ান রেলপথকেও জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (ইউনেসকো) বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৪তম অধিবেশনে রেলপথটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। চীনের ফুঝুতে এই অধিবেশন চলে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।
রেলপথটি ইরানের ব্যাপক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে। এসব উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন। এমনকি সমসাময়িক বিশ্ব ইতিহাসের স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ের রাজনৈতিক দিকও এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ১৩৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রান্স-ইরানি রেলপথের চওড়া ১৪৩৫ মি.মিটার। রুটটিতে মোট ৯০টি ওয়ার্কিং স্টেশন আছে। কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণপূর্বে অবস্থিত তোরকামান বন্দরের উত্তর পয়েন্ট থেকে রেলপথটি শুরু হয়েছে। সারি ও কায়েম-শাহর শহর হয়ে রেলপথটি আলবোর্জ অঞ্চলের পর্বত এলাকায় প্রবেশ করেছে। অনেকগুলো সেতু ও সুড়ঙ্গ বেয়ে তেহরান ও ভারামিন প্লেইনকে সংযুক্ত করেছে ঐতিহাসিক এই রেলপথটি।
দেশটিতে রয়েছে অসংখ্য বাগান। যেগুলো পরিদর্শনে যেকোনো পর্যটকের মন সত্যি ছুঁয়ে যাবে। এ পর্যন্ত দেশটির ৯টি বাগান বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ইউনেস্কোর প্রতিবেদনে ইরানের বাগিচাগুলো সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘এই বাগিচাগুলোর ডিজাইন চারটি আলাদা আলাদা ভাগে বিভক্ত। এগুলোর মাঝখানে রয়েছে পানির ব্যবস্থা যা একদিকে দৃশ্য নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে অপরদিকে বাগানের সজ্জাকৌশল ও স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকেও এই পানির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’ ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ইরানের বাগিচাগুলো কাল্পনিকভাবে বেহেশতের বাগানের অনুসরণে তৈরি করা হয়েছে। এই বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, ইরানের বাগিচা নির্মাণ পদ্ধতি ও সজ্জা কৌশলের প্রভাব সুস্পষ্টভাবে ভারত এবং স্পেনের মতো দেশগুলোর বাগিচা তৈরির স্টাইলের ওপর ব্যাপকভাবে পড়েছে। ইউনেস্কো তালিকাভুক্ত ইরানের নয়টি বাগিচা হলো : বাগে পাসারগাড, বাগে এরাম, বাগে চেহেল সুতুন, বাগে ফিন, বাগে আব্বাসাবাদ, বাগে শাযদেহ মহন, বাগে দৌলাতাবাদ, বাগে পাহলাভনপুর এবং বাগে আকবারিয়া। মজার ব্যাপার হলো, এইসব বাগিচা ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে বিচিত্র আবহাওয়াময় পরিবেশে নির্মাণ করা হয়েছে।
তবে ইউনেস্কোর বিশেষজ্ঞগণ স্বীকার করেছেন, অঞ্চলগত বৈচিত্র্য, পরিকল্পনা ও ডিজাইন এবং ইরানের ঐতিহাসিক রীতি ও সাংস্কৃতিক শেকড়গুলো এই মনোনয়নের ক্ষেত্রে যে কাজ করেনি তা নয়। এই বাগিচাগুলো ইতিহাসের বিভিন্ন যুগে গড়ে উঠেছে। সেই হাখামানশী যুগ অর্থাৎ খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দী থেকে দুই শতাব্দী আগের কাজার শাসনামল পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে বাগিচাগুলো তৈরি করা হয়েছে। ইরানিদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের মাঝে বাগিচা সবসময়ই একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সম্মানিত ও মর্যাদাময়।
২০১৮ সালে বিশ্বের দ্বিতীয় দ্রুত বর্ধনশীল পর্যটন গন্তব্য হিসেবে ইরানকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব পর্যটন সংস্থা ইউনাইটেড নেশনস ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অর্গানাইজেশন (ইউএনডব্লিউটিও)। ২০১৮ সালের ইউএনডব্লিউটিও-এর বার্ষিক প্রতিবেদন মতে, মিসর, নেপাল, জর্জিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ইরান। অন্যদিকে, দ্রুত বর্ধনশীল পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ইকুয়েডর। প্রতিবেদনে বিশ্বের যেসব দেশের পর্যটন প্রবৃদ্ধি সর্বাপেক্ষা বেশি সেসব দেশের পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে আনা হয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে ইরানের পরে রয়েছে মিসরের অবস্থান।
ইরানে বাজার, জাদুঘর, মসজিদ, সেতু, বাথহাউস, মাদ্রাসা, মাজার, গির্জা, টাওয়ার এবং ম্যানসিসের মতো শত শত ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে যা বিদেশী পর্যটকদের নিকট বেশ প্রিয়। ২০১৯ সালের ট্র্যাভেল রিস্ক ম্যাপে ‘ইনসিগনিফিকেন্ট’ ক্যাটাগরিতে স্থান পায় ইরান। এই বিভাগের দেশটির সাথে আরও রয়েছে যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে এবং ফিনল্যান্ড। ট্র্যাভেল রিস্ক ম্যাপে পর্যটন গন্তব্যের দিক দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ঝুঁকির মাত্রা বিশ্লেষণ করে র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়।
মেডিক্যাল ট্যুরিজমেও ইরান ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। এখন সারা বছরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বহু মানুষ ইরানে আসছেন চিকিৎসার জন্য। বেশিরভাগ রোগী হলেন ব্রিটেন, সুইডেনসহ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য নীতিতে চিকিৎসা ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কারণে ইরানে যেকোনো অপারেশনের ব্যয় তুরস্ক, ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক চতুর্থাংশের মতো। তবে গুণগত দিক থেকে এখানকার চিকিৎসা বিশ্বমানের। সেজন্যই বিদেশী রোগীরা ইরানের চিকিৎসার মানের ব্যাপারে সন্তুষ্ট। এছাড়া ইরানি অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক এবং সাধারণ চিকিৎসকগণ বেশ দক্ষ। বিদেশি সহযোগীরা সবসময়ই তাঁদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এশিয়ার দেশগুলোর মাঝে মেডিক্যাল ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে কঠোর প্রতিযোগিতা চলছে। এই প্রতিযোগিতায় ইরানের অবস্থান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দশটি দেশের মধ্যে রয়েছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মেডিক্যাল ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে এশীয় দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরও করেছে। ইরানে বর্তমানে অন্তত ষাটটি হার্ট অপারেশন কেন্দ্রে ওপেন হার্ট সার্জারি হচ্ছে। ইরানের এই চিকিৎসা সেবা বিশ্বের চিকিৎসকগণকে আকৃষ্ট করছে। কেবল ওপেন হার্ট সার্জারিই নয়, আরো বহু জটিল ও মারাত্মক রোগের চিকিৎসা এখন বেশ উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে করা হচ্ছে। ইরানের স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রায় ৪শ হাসপাতাল চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। যে বিষয়গুলো দেশটিতে পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে তা হলো ইরানিদের আতিথেয়তা, থাকা-খাওয়ায় স্বল্প ব্যয়, সহজ ও উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, অভিজাত ও ঐতিহ্যবাহী হোটেল, এক ভ্রমণে সব মৌসুমের অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ ও লোভনীয় বিভিন্ন খাবারের স্বাদ। সব মিলিয়ে ইরান ভ্রমণপিপাসুদের জন্য হয়ে উঠেছে অন্যরকম এক আকর্ষণের স্থান। ‘২০২৫ ট্যুরিজম ভিশন প্ল্যান’ অনুযায়ী, ইরান ২০২৫ সাল নাগাদ ২ কোটি বিদেশী পর্যটক আকৃষ্টের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০১৪ সালে যেখানে দেশটিতে বিদেশী পর্যটক আগমনের সংখ্যা ছিল ৪৮ লাখ।