রবিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ সম্পর্কে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর বক্তব্য থেকে

পোস্ট হয়েছে: নভেম্বর ১৪, ২০১৬ 

মদীনার আলেম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশে
হে জনগণ! আল্লাহ্্ যা দ্বারা স্বীয় বন্ধুদের উপদেশ দেন, তা থেকে উপদেশ গ্রহণ কর, যেমন ইহুদি পর্ণ্ডিতদের সম্পর্কে তাঁর নিন্দাবাণী থেকে।
ইরশাদ হচ্ছে : ‘কেন রব্বানী আলেম ও পণ্ডিতবৃন্দ তাদেরকে অন্যায় কথা থেকে বিরত রাখেনি?’ (সূরা মায়েদা : ৬৫)
অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে : ‘অভিসম্পাতপ্রাপ্ত হয়েছে বনি ইসরাইলের যারা অবিশ্বাসী হয়েছে… কতই না মন্দ যা তারা করে।’ (সূরা মায়েদা : ৭৮-৭৯)
আর নিশ্চয় আল্লাহ্্ তাদেরকে এ কারণে ভর্ৎসনা করেছেন যে, তারা তাদের মধ্যে যারা যালিম ছিল তাদের নোংরা ও জঘন্য কাজ প্রত্যক্ষ করত, কিন্তু তাদেরকে তা থেকে নিষেধ করত নাÑ তাদের হাতে যা ছিল তার লোভে এবং কোণঠাসা হয়ে পড়ার ভয়ে। অথচ মহান আল্লাহ্্ বলেন : ‘মানুষকে ভয় কর না, ভয় কর আমাকে।’ (সূরা মায়েদা : ৪৪) আরো বলেন : ‘মুমিন নর ও নারীরা একে অপরের বন্ধু এবং তারা সৎকাজে আদেশ করে ও অসৎকাজে নিষেধ কর।’ (সূরা তওবা : ৭১)
আল্লাহ্্ সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধকে তাঁর একটি ফরয কাজ হিসাবে কথার সূত্রপাত করেছেন। কারণ, তিনি জানতেন, যদি এই ফরযটি পালন করা হয় অথবা প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে সহজ-কঠিন সব ফরযই পালন করা হবে। আর এটা এজন্য যে, সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ হলো অন্যায়ভাবে হৃত অধিকার প্রত্যার্পণ, যালিমের বিরোধিতা, বাইতুল মাল ও গনীমত বণ্টন, যাকাতের জায়গা থেকে যাকাত গ্রহণ এবং যথার্থ খাতে তা ব্যয় করা সহকারে ইসলামের প্রতি আহ্বান জানানো।
অতঃপর তোমরা, হে শক্তিমান সম্প্রদায়! যারা জ্ঞানে বিখ্যাত এবং ভালো কর্ম ও মঙ্গলকামিতায় স্বনামধন্য ও প্রসিদ্ধ আর আল্লাহ্্র মাধ্যমে মানুষের অন্তরে এতটা মর্যাদার অধিকারী হয়েছ যে, মর্যাদাবান ব্যক্তিও তোমাদের মূল্যায়ন করে আর দুর্বল ব্যক্তি তোমাদের শ্রদ্ধা করে চলে। আর যারা তোমাদের সমতুল্য এবং যাদের ওপর কোনো নেয়ামতের অধিকারী নও, তারা তোমাদেরকে নিজেদের ওপরে প্রাধান্য দেয়। যখন কামনাকারীরা তাদের মনষ্কামনায় পৌঁছতে ব্যর্থ হয় তখন তোমাদেরকে সেসব পাওয়ার মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করে। আর তোমরা সম্রাটদের শান সহকারে আর বুজুর্গদের সম্মান সহকারে রাস্তায় পথ চল। এসবই কি এজন্য নয় যে, জনগণ তোমাদের প্রতি আশা রাখে যে, তোমরা আল্লাহ্্র অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন করবে? আর যদি তাঁর অধিকাংশ অধিকার থেকে পিছু হটে যাও তাহলে ইমামগণের অধিকারে অবজ্ঞা করলে। আর দুর্বলদের অধিকারকে এড়িয়ে গেলে, অথচ তোমাদের ধারণায় যা স্বীয় অধিকার বলে গণ্য কর, তা ঠিকই প্রাপ্ত হয়েছ, এ অবস্থায় যে, তোমরা এ পথে কোন অর্থও খরচ করনি, নিজ জীবনও সেই আল্লাহ্্র জন্য বিপদাপন্ন করনি যিনি ঐ জীবনের স্রষ্টা। আর আল্লাহ্্র সন্তুষ্টির জন্য কোনো স্বজনের সাথেও দ্বন্দ্বে লিপ্ত হওনি। তোমরা আল্লাহ্্র দরবারে তাঁর বেহেশতের আকাক্সক্ষা পোষণ কর, তদ্রƒপ তাঁর রাসূলগণের পাশে থাকা ও তাঁর আযাব থেকে নিরাপদে থাকার আশা রাখ। হে ঐ ব্যক্তিবর্গ! যারা আল্লাহ্্র থেকে এরূপ আশা কর, তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা হয় যে, ঐশী কোনো প্রতিশোধ তোমাদের ওপর নেমে আসবে। কারণ, তোমরা আল্লাহ্্র সম্মানের ছায়ায় এমন এক মর্যাদায় পেঁৗঁছেছ যেখানে অন্যদের ওপরে তোমাদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আল্লাহ্্র প্রতি ঈমানদার বান্দা সংখ্যায় অনেক, কিন্তু জনগণ তাদেরকে শ্রদ্ধা করে না। আর তোমরা আল্লাহ্্র (সাথে বাহ্যিক সম্পৃক্ততার) কারণে জনগণের মাঝে সম্মানের পাত্র। এখন তোমরা স্বচক্ষে আল্লাহ্্র অঙ্গীকারসমূহ ভঙ্গ হতে দেখেও ভয় করছ না, অথচ নিজেদের পিতাদের একটি অঙ্গীকার ভঙ্গ করতে তোমরা ভীত হয়ে পড়ছ, কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সা.)-এর অঙ্গীকার ভঙ্গ হওয়াকে তুচ্ছ জ্ঞান করছ।
সকল জনপদে অন্ধ, বোবা আর অচলরা অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে এবং তাদের ওপর দয়া করা হয় না। এক্ষেত্রে তোমরা তোমাদের পদ অনুযায়ী ও দায়িত্ব মোতাবেক কাজ করছ না। আর যে ঐ কাজ করে তাকেও সাহায্য করছ না। আর যালিমদের সাথে আঁতাত ও আপোষ করে নিজেদেরকে ঝামেলামুক্ত রাখছ। এসবই হলো সেই জিনিস যেগুলোকে সংঘবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করার জন্য আল্লাহ্্ তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আর তোমরা তা থেকে উদাসীন। তোমাদের ওপর দুর্দশা অন্যদের চেয়েও বড়। কারণ, তোমরা পণ্ডিত ও বিদ্বানদের মহান জ্ঞান-মর্যাদাকে রক্ষার দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয়েছ। হায়! যদি তোমরা তোমাদের চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগাতে! এটা ঐ জন্য যে, নির্দেশাবলি ও বিধি-বিধানের বাস্তবায়ন আল্লাহ্্র জ্ঞানে পণ্ডিত ও বিদ্বানের ওপর ন্যস্ত যারা তাঁর হালাল ও হারামের ওপরে আমীন (বা বিশ্বস্ত রক্ষক) এবং শাসনকর্তৃত্ব তাদের হাতেই থাকতে হবে। সুতরাং তোমরা হলে তারাই যাদের থেকে এই পদ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর যে কারণে তা তোমাদের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে সেটা হলো তোমরা সত্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছ এবং যথেষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ্্ (সা.)-এর নীতিপন্থা সম্পর্কে মতপার্থক্য করেছ। তোমরা যদি নিপীড়নে ধৈর্যধারণ কর এবং আল্লাহ্্র রাহে সহনশীল হও তাহলে আল্লাহ্্র শাসনকর্তৃত্ব তোমাদের কাছে ফিরে আসবে এবং তোমাদের পক্ষ থেকেই বাস্তবায়ন হবে এবং তোমরাই জনগণের বিষয়াদির সমাধান স্থলে পরিণত হবে। কিন্তু তোমরা নিজেরাই অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছ এবং খোদায়ী শাসনকর্তৃত্বকে তাদের হাতে সোপর্দ করেছ যাতে তারা সংশয় প্রণোদিত কাজ করে এবং স্বীয় প্রবৃত্তি ও কামনার বশীভূত হয়ে চলে। তোমাদের মৃত্যুভয় এবং দুনিয়ার জীবন- যা তোমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হবে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকাই তাদেরকে এই পদে আসীন করেছে। এরূপ মানসিকতা ও জীবনপদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমেই তোমরা অক্ষমদেরকে তাদের অধীন করেছ। ফলে অক্ষমদের একদল তাদের অনুদাস ও আজ্ঞাবহ হয়েছে আর আরেক দল এক লোকমা খাবারের অন্বেষণে নিরুপায় হয়ে পড়েছে। আর এসকল শাসক নিজেদের (প্রবৃত্তিপ্রসূত অবিবেচক) মত দ্বারা রাষ্ট্রকে ওলট-পালট করে দেয় এবং পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রতি ধৃষ্টতা প্রদর্শন ও কুজনদের অনুসরণের মাধ্যমে প্রবৃত্তি পূজারির লাঞ্ছনাকে নিজেদের ওপরে ডেকে আনে। আর প্রত্যেক জনপদে মিম্বারের ওপরে (তাদের মুখপাত্র হিসাবে) একজন বাকপটু খতীব রেখেছে এবং গোটা দেশ তাদের পদতলে এবং তাদের হাত সর্বত্র প্রসারিত। আর জনগণ তাদের নিয়ন্ত্রণে। তাদের ওপরে যা-ই চাপিয়ে দিক তা থেকে আত্মরক্ষা করতে অপারগ। কিছু আছে জোরজবরকারী ও শত্রুতাকারী এবং অক্ষমদের ওপরে কঠিন আক্রমণকারী। আর কিছু আছে শাসনকারী। তারা আল্লাহ্্ ও কিয়ামতের প্রতি বিশ্বাস করে না। অদ্ভুত! আর কেনই বা অবাক হব না, যখন পৃথিবী এমন এক ব্যক্তির হস্তগত যে ঠগবাজ ও যালিম, আর যাকাত আদায়ের দায়িত্ব এমন ব্যক্তির ওপর ন্যস্ত যে আত্মসাৎকারী এবং মুমিনদের শাসনের ভার এমন একজনের হাতে রয়েছে যে তাদের প্রতি কোনো দয়া করে না। তাই আল্লাহ্্ যা নিয়ে আমাদের বিরোধ সে বিষয়ে বিচার করুন। নিশ্চয় তিনি স্বীয় নির্দেশ অনুযায়ী আমাদের দ্বন্দ্বের মীমাংসা করবেন।
হে আল্লাহ্্! তুমি জান যে, আমাদের থেকে যা কিছু প্রকাশ পেয়েছে তা শাসনকর্তৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য নয় এবং দুনিয়ার পণ্যের লোভে নয়। তবে এজন্য যে, তোমার দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত দেখব এবং তোমার রাজ্যে সংস্কার করব আর তোমার নিপীড়িত বান্দাদের চিন্তÍামুক্ত করব এবং তোমার ওয়াজিব ও সুন্নাত এবং বিধি বিধান পালন করব। তোমাদের উচিত আমাদের সহায়তা করা এবং আমাদের প্রতি ইনসাফ করা। যালিমদের শক্তি তোমাদের ওপরে রয়েছে। তারা তোমাদের নবীর নূরকে নিভিয়ে দিতে চেষ্টা করছে। আর আল্লাহ্্ই আমাদের জন্য যথেষ্ট। তাঁর ওপরে ভরসা করি এবং তাঁর দরবারে প্রত্যাবর্তন করব। শেষ পরিণতি সব তাঁরই অভিমুখে।
একটি উপদেশ
আমি তোমাদের আল্লাহ্্কে ভয় করে চলার উপদেশ দান করছি আর তাঁর (শাস্তির) দিনসমূহ থেকে সতর্ক করছি এবং তাঁর প্রতীক ও নিদর্শনসমূহকে তোমাদের জন্য সমুন্নত করছি এমনভাবে যে, যেন যা ভীতিকর; তা তার ভয়ানক আগমন, অচেনা পদার্পণ এবং তিক্তকর স্বাদসহ তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেছে আর তোমাদের ও তোমাদের আমলের মাঝে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তোমরা সুস্থ শরীরে তোমাদের আয়ুষ্কালের মধ্যেই আমলে ধাবিত হও, যেন অকস্মাৎই মৃত্যু হানা দিবে আর তোমাদেরকে মাটির ওপর থেকে মাটির মধ্যে টেনে নিবে এবং মাটির টিলা থেকে গর্তের মধ্যে নিক্ষেপ করবে এবং সঙ্গী-সাথি ও প্রশান্তি থেকে ভয় ও নিঃসঙ্গতায় নিয়ে যাবে এবং খোলা আকাশ ও আলো থেকে অন্ধকারে নিয়ে যাবে। আর প্রশস্ত জায়গা থেকে সংকীর্ণতার মধ্যে ঠেলে দিবে যেখানে আত্মীয়-স্বজনদের দেখতে যাওয়া হয় না, অসুস্থকেও দেখতে যাওয়া হয় না আর না কোনো ফরিয়াদে সাড়া দেওয়া হয়। আল্লাহ্্ আমাদের এই দিনের ভয় থেকে সাহায্য করুন আর আমাদের ও তোমাদের তাঁর শাস্তি থেকে নাজাত দিন এবং আমাদের ও তোমাদের জন্য তাঁর সমুচিত সওয়াব আবশ্যক করুন।
আল্লাহ্্র বান্দারা, যদি এই দুনিয়াই তোমাদের জীবনের শেষ হতো ও চূড়ান্ত আবাস হতো, তাহলে উচিত ছিল মানুষ এমন কোনো কাজ করবে যা দুনিয়া থেকে তার দুঃখ-কষ্টকে সরিয়ে নেয় ও দুনিয়ার বিপত্তি থেকে মুক্তি দেয়। আর কেনই বা এমনটা হবে না যখন মানুষ এই দুনিয়ার পরে তার কৃতকর্মের দায়ে বাঁধা। তাকে হিসাব-নিকাশের মুখোমুখি করা হবে, কোনো সাহায্যকারী নেই যে তাকে বাঁচাবে আর কোনো পৃষ্ঠপোষক নেই যে তাকে রক্ষা করবে। এই দিনে ঈমান এনে কারো কোনো লাভ হবে না যদি না দুনিয়ায় ঈমান এনে থাকে কিংবা ঈমান অবস্থায় সৎকর্ম করে থাকে। বলুন, তোমরা অপেক্ষা কর, আমরা তোমাদের সাথেই অপেক্ষমাণ। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্্কে ভয় করে চলার উপদেশ দিচ্ছি। কারণ, যে ব্যক্তি তাকওয়াবান হয় আল্লাহ্্ তাঁর জন্য জামিনদার হন; তার খারাপ অবস্থা থেকে তাকে ভালো অবস্থায় নিয়ে যাবেন এবং যে পথ দিয়ে সে ধারণাও করেনি সেখান থেকে তার রুজির ব্যবস্থা করবেন। আর এমন না হয় যে, তুমি তাদের অন্তÍর্ভুক্ত হবে যে আল্লাহ্্র অন্যান্য বান্দার পাপে উৎকণ্ঠিত থাকবে, অথচ নিজের পাপ থেকে নির্ভাবনায় থাকবে। কারণ, আল্লাহ্্ তাঁর বেহেশতের ব্যাপারে ধোঁকার শিকার হবেন না। আর তাঁর নিকটে যা আছে সেটা আনুগত্য ব্যতীত অর্জন করা যায় না। ইনশাআল্লাহ্্।

কারবালা অভিমুখে সফরের সময়:
নিশ্চয় এই দুনিয়া পরিবর্তিত হয়ে গেছে এবং অচেনা হয়ে গেছে। তার কল্যাণ চলে গেছে। আর তার থেকে শুধু বাটির অবশিষ্ট তলানির মতো ছাড়া কিছুই বাকি নেই। আর কেবল ক্লান্তিকর জীবন ছাড়া। তোমরা কি তাকিয়ে দেখ না যে, সত্যানুগ কাজ করা হচ্ছে না আর মিথ্যা থেকে বিরত থাকছে না। ফলে অবস্থা এমন হয়েছে যে, মুমিনের জন্য মৃত্যু ও আল্লাহ্্র সাক্ষাতে অনুরাগী হওয়াই বাঞ্ছনীয়। আমি তো সত্যিই মৃত্যুকে সৌভাগ্যকর আর যালিমদের সাথে বেঁচে থাকাকে অপমানজনক ছাড়া কিছুই দেখি না। নিশ্চয় জনগণ সকলেই দুনিয়াপূজারি, দীন কেবল তাদের জিহ্বার বুলি। দীনকে তারা ততক্ষণ চায় যতক্ষণ তা তাদের জীবনের প্রয়োজন মেটায়। আর যখন বিপদে পরীক্ষার সম্মুখীন হয় তখন ধার্মিক সামান্যই।