রবিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

স্মরণীয় বাণী

পোস্ট হয়েছে: জুন ১৫, ২০১৬ 

মহানবী (সা.) বলেন : দু’টি কাজের চেয়ে উত্তম কোনো পুণ্যের কাজ নেই : আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং আল্লাহর বান্দাদের উপকার করা। আর দু’টি কাজের চেয়ে জঘন্য কোনো কাজ নেই : আল্লাহর প্রতি শিরক করা আর আল্লাহর বান্দাদের ক্ষতি করা।

মহানবী (সা.) বলেন : হে আলী! তিনটি জিনিস রয়েছে যা কোনো ব্যক্তির মধ্যে না থাকলে তার কর্ম সফল হয় না : আত্মসংযংম- যা তাকে মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের অবাধ্যতা থেকে বাঁচায়, বিদ্যা- যা তাকে অজ্ঞতা থেকে রক্ষা করে, আর বুদ্ধিমত্তা- যা দ্বারা সে মানুষের সাথে মানিয়ে চলবে।

রাসূলুল্লাহ্্ (সা.)-এর কাছে আরজ করা হলো : কোন্ সঙ্গীরা উত্তম? তিনি বললেন : যখন তুমি তাকে স্মরণ করবে, তখন তোমাকে সাহায্য করবে; আর যখন ভুলে যাবে তখন তোমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। আরো বলা হলো : নিকৃষ্টতম লোক কারা? তিনি বললেন : জ্ঞানী লোকেরা যখন নষ্ট হয়ে যায়।

মহানবী (সা.) বলেন : মুমিনকে কোন কাঠিন্য, অসুস্থতা ও দুঃখ স্পর্শ করলে তাতে যদি তার সামান্য কষ্টও হয় আল্লাহ সেটির বিনিময়ে তার পাপসমূহ খণ্ডন করেন।

ইমাম আলী (আ.) বলেন : তোমার বন্ধুর সাথে ধীর গতিতে চল (অতি ঘনিষ্ঠ হয়ো না)। হয়তো একদিন সে তোমার শত্রুতে পরিণত হতে পারে। আর তোমার শত্রুর সাথে ধীর গতিতে চল (শত্রুতার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি কর না), হয়তো একদিন সে তোমার বন্ধুতে পরিণত হতে পারে।

ইমাম আলী (আ.) বলেন : ঈমানের সাথে ধৈর্যের সম্পর্ক হলো দেহের সাথে মাথার ন্যায়। যার ধৈর্য নেই তার ঈমান নেই।

ইমাম আলী ইবনুল হোসাইন যায়নুল আবেদীন (আ.) বলেন : যে ব্যক্তি আল্লাহর দেওয়া বরাদ্দে সন্তুষ্ট থাকে সে সবচেয়ে অভাবমুক্ত মানুষ।

ইমাম যায়নুল আবেদীন (আ.) বলেন : এমন লোক কত রয়েছে, মানুষ তাকে ভালো বলত, অথচ সে ধোঁকা খেয়েছে। আর এমন লোক কত রয়েছে, আল্লাহ তার গোপন দোষ ঢেকে রাখার কারণে সে অহংকারী হয়েছে। আর এমন লোক কত রয়েছে, আল্লাহর (তাকে অধিক শাস্তির দিকে ধাবিত করার উদ্দেশ্যে) তার প্রতি অনবরত নেয়ামত প্রেরণ করেছেন যা তাকে উদাসীন করেছে।

ইমাম আলী ইবনে মূসা আর-রেযা (আ.) বলেন : প্রত্যেক মানুষের বুদ্ধিই হলো তার বন্ধু আর তার মূর্খতাই তার শত্রু।

ইমাম রেযা (আ.)-কে প্রশ্ন করা হয় : নীচ কে? ইমাম বললেন : যে ব্যক্তির এমন কিছু রয়েছে যা তাকে আল্লাহর (স্মরণ) থেকে বিরত রাখে।

ইমাম রেযা (আ.) বলেন : বদান্যতার অধিকারী ব্যক্তি অন্যদের খাবার থেকে খায় যাতে তারা তার খাবার থেকে খায়। আর কৃপণ অন্যদের খাবার থেকে খায় না যাতে তারা তার খাবার থেকে না খায়।

ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আলী আত-তাকী (আ.) বলেন : মুমিনের প্রয়োজন আল্লাহর পক্ষ থেকে তৌফিক, নিজের থেকে উপদেশ আর কেউ উপদেশ দিলে তা গ্রহণ করা।

ইমাম তাকী (আ.) বলেন : তওবা বিলম্বিত করা (পিছিয়ে দেওয়া) ধোঁকা খাওয়ার শামিল। কোনো কাজে দ্বিধা করা দিশাহারা অবস্থার পরিচায়ক। আল্লাহর সামনে (নির্দেশ পালনে) বাহানা বের করা ধ্বংসের নামান্তর। আর গোনাহর ওপর পীড়াপীড়ি করা (গোনায় লিপ্ত থাকা) হলো নিজেকে আল্লাহর গোপন পরিকল্পনা (শাস্তি) থেকে নিশ্চিত ভাবা। আর ক্ষতিগ্রস্ত লোকেরা ব্যতীত আল্লাহর গোপন পরিকল্পনা থেকে (আর কেউ) নিশ্চিত হয় না।