শনিবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, ১লা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

English

সাক্ষাৎকার

পোস্ট হয়েছে: জানুয়ারি ১৫, ২০১৮ 

 

গত ৫-৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাজধানী তেহরানে ‘ইসলামি ঐক্য ও নতুন ইসলামি সভ্যতা’ শীর্ষক ৩১তম আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে ৫২০ জন বিদেশী অতিথি অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ থেকে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) জনাব ফয়েজ আহমেদ ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ও বাংলাদেশ আল কুদস কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. শাহ কাওসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ। আমরা তাঁদের সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি যা নিউজলেটারের পক্ষ থেকে পাঠকদের উদ্দেশে পত্রস্থ হল।
প্রশ্ন : মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জন্মদিবসÑ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপন উপলক্ষে ইসলামি ঐক্য সপ্তাহ পালন ও আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলনের আয়োজনকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন?
জনাব ফয়েজ আহমেদ ভূঁইয়া : মহানবী (সা.)-এর জন্মদিবস পালন উপলক্ষে ইসলামি ঐক্য সপ্তাহ পালন ও আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলন আয়োজন একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা । সারা পৃথিবী থেকে আগত সকল মুসলিম প্রতিনিধি নিয়ে এ ঐক্যের ডাক ইরানের জন্য অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সুন্নি সম্প্রদায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১২ই রবিউল আউয়াল পালন করে থাকলেও ইরান তা পালন করে থাকে ১২ই রবিউল আউয়াল থেকে সপ্তাহব্যাপী, যা মুসলিম উম্মার ঐক্যের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেইনী বিপ্লবোত্তর এ প্রথাই চালু করেছেন। শিয়া- সুন্নির ঐক্যের জন্য এ সম্মেলন একটি মাইলফলক।
অধ্যাপক ড. শাহ কাউসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-কে কেন্দ্র করে ইসলামি ঐক্য সপ্তাহ উদ্যাপন ও শিক্ষাবিদ ও ইসলামি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলনের আয়োজন নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐক্যের পক্ষে কার্যকরী উদ্যোগ। ইসলামি ঐক্যের পক্ষে এটি একটি সফল প্রয়াস বলে আমি মনে করি।
প্রশ্ন : তেহরানে আয়োজিত ৩১তম আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলনের আয়োজন, ব্যবস্থাপনা, অ্যাকাডেমিক ও আনুষ্ঠানিক সেসন সম্পর্কে কিছু বলুন।
জনাব ফয়েজ আহমেদ ভূঁইয়া : তেহরানে আয়োজিত ৩১তম আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলন সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এর আয়োজন, ব্যবস্থাপনা, অ্যাকাডেমিক ও আনুষ্ঠানিক সেসনগুলো এক কথায় চমৎকার ছিল। বিশেষ করে তাঁদের আতিথেয়তা ভোলার মতো নয়। উচ্চমানের হোটলে অবস্থান, খাওয়া-দাওয়া ও যানবাহন ব্যবস্থাপনা ছিল চমৎকার।
আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরো সুন্দর ও উন্নয়ন করা সম্ভব। বক্তৃতা ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো (মহামান্য প্রধান ধর্মীয় নেতা ও রাষ্ট্রপতি) ছাড়া অন্যান্য অ্যাকাডেমিক ও ঈড়সসরংংরড়হ এর যে ঝবংংরড়হ গুলো ছিল সেগুলোও বক্তৃতাধর্মী হয়েছে যা ডায়ালগধর্মী ও তথ্য বিনিময়ধর্মী হলে আরো ফলপ্রসূ হবে।
অধ্যাপক ড. শাহ কাউসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী : তেহরানে ৩১তম আন্তর্জাতিক ইসলামি ঐক্য সম্মেলনের আয়োজনে সুচারু ব্যবস্থাপনা ছিল লক্ষণীয়। অতিথিদের থাকার ব্যবস্থা করা হয় তেহরানের শীর্ষ গ্রান্ড আজাদী হোটেলে। তেহরানের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি। সম্মেলন স্থলে তিনি অতিথিদের সাথে খুব কাছে থেকে খোলামেলা কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল অত্যন্ত উন্নত, উদার ও গঠনমূলক, যা ইসলামি ঐক্যের পক্ষে অত্যন্ত সহায়ক বলে মনে হয়েছে।
প্রশ্ন : আপনার দৃষ্টিতে মুসলিম উম্মাহর বর্তমান প্রধান সমস্যাগুলো কী?
জনাব ফয়েজ আহমেদ ভূঁইয়া : আমার দৃষ্টিতে মুসলিম উম্মাহর বর্তমান সমস্যা বহুবিধ। সমস্যাগুলো ধর্মীয় (নানা বিশ্বাসে বিশ্বাসী), ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও প্রথাসর্বস্ব। শিয়া-সুন্নি এবং নানা মাযহাবে বর্তমানে ইসলামকে বিভক্ত করে দুর্বল করা হচ্ছে। মহানবী (সা.)-এর ওফাতের পর থেকেই ইসলামকে নানা দিকে প্রবাহিত করে ইসলামকে দুর্বল করা হয়েছে। দেশে দেশে রাজনীতি বা শাসনব্যবস্থা ভিন্ন। অতীতে মুসলমানদের মধ্যে যে ঐক্য ছিল বর্তমান তা খান খান হয়ে ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে অনেক মুসলিম দেশ ইসরাইলকে সুবিধা দিয়ে থাকে। দেশীয়ভাবে ঐক্য হলেও আন্তর্জাতিকভাবে ঐক্য একটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।
অধ্যাপক ড. শাহ কাউসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী : মুসলিম উম্মাহর প্রধান সমস্যা হলো পরস্পর সম্পর্কে অজ্ঞতা ও তথ্য বিনিময়ের অভাব। আর সেই বোঝাপড়ার অভাব ও অজ্ঞতাপ্রসূত বিদ্বেষ। দ্বিতীয়ত, ইসলামের অন্তর্নিহিত শিক্ষা-দর্শন সম্পর্কে অজ্ঞতা ও স্থূল কর্মকৌশল অবলম্বন- যা পরস্পরের মাঝে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে। তৃতীয়ত, উম্মাহর সদস্যদের মাঝে কৌশলে ইসলামের শত্রু বিশেষ করে ইহুদিবাদী অনুপ্রবেশ বিরাট ক্ষতি ডেকে এনেছে। লক্ষণীয় যে, খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের মধ্যে অসংখ্য মত ও পথভিত্তিক দল থাকলেও তারা কেউ কারও বিরুদ্ধে কথা বলে না। অথচ মুসলমানদের মাঝে ঐক্যের অনেকগুলো অভিন্ন সূত্র থাকা সত্ত্বেও তারা পরস্পর বিভক্ত ও বিদ্বেষপুষ্ট যা আদৌ কাক্সিক্ষত নয়।
প্রশ্ন : সমস্যাগুলো উত্তরণের জন্য ইতিবাচক ও কার্যকরী কর্মসূচি সম্পর্কে আপনার মত সম্পর্কে কিছু বলুন।
জনাব ফয়েজ আহমেদ ভূঁইয়া : সমস্যাগুলো উত্তরণের জন্য তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক জ্ঞান অবলম্বন করা উচিত। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে যুগোপযোগী কৌশল অবলম্বনপূর্বক তা সমাধান করা যায়। মুসলমানদের দুর্গতি শুরু হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে। ঐ ঘোষণায় প্যালেস্টাইন ও ইসরাইলের জন্য দুটি রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছিল। সদ্য রাজ্যহারা (অটোম্যান সাম্রাজ্য) মুসলমানেরা তা গ্রহণ না করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে লড়ে গেছে। আরব-ইসরাইল এর মধ্যে কয়েকটি যুদ্ধ সংগঠিত হয়। সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য আবেগ বাদ দিয়ে যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত নিতে হবে । তা নিতে হলে কৌশলগত উৎকর্ষ প্রদর্শন করতে হবে। অর্থাৎ মারণাস্ত্রের সাথে তোলোয়ার দিয়ে যুদ্ধ করা যাবে না। সমস্যা সমাধান করতে হলে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। মুসলিম উম্মাহর মধ্যে এ ঐক্য হতে হবে মোটিভেশনের (গড়ঃরাধঃরড়হ) মাধ্যমে। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে এনে মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।
অধ্যাপক ড. শাহ কাউসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী : ঐক্যের পক্ষে কার্যকর কর্মসূচি হলো পরস্পরের মাঝে মতবিনিময়, আলোচনা ও তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি করাÑ যা মতপার্থক্য কমিয়ে আনবে এবং শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করবে, শত্রুতা কমিয়ে আনবে। ভিন্নতার মাঝেই ঐক্যের পথ রচনা হবে। ইসলাম ধর্মের সর্বজনীন শিক্ষা অবলম্বনে উম্মাহ ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হবে।
প্রশ্ন : ইসলামি ঐক্যের ব্যাপারে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ও অন্য নেতৃবৃন্দের ভূমিকা এবং রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের অবস্থান সম্পর্কে কিছু বলুন।
জনাব ফয়েজ আহমেদ ভূঁইয়া : ১৯৭৯ সালে মহান বিপ্লবের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নতুন চেতনায় বিশ্বে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এর আগে প্রায় সকল মুসলিম দেশই ছিল পশ্চিমা বিশ্বের ক্রীড়নক। বর্তমান ইরান তাত্ত্বিক এবং আধ্যাত্মিকভাবে মুসলিম বিশ্বের একক ঐতিহ্য হয়ে অবস্থান নিয়েছে। ইরানের শাসনব্যবস্থার মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। ভোগবাদী বিলাসিতা ছেড়ে ত্যাগ করার মানসিকতা তৈরি করে ইরানের নেতারা সরল জীবন যাপন করা শুরু করেছেন। তাঁদের ধর্মীয় নেতা বা অন্যান্য নেতা যে সরল জীবন যাপন করেন তা ইসলামি মূল্যবোধে অনুসরণীয়। সর্ব্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার আবাসস্থল পুরনো ঐতিহ্যে আপ্লুত একটি সাধারণ বাড়ি, এটি কোনো রাজ প্রাসাদ নয় । সম্ভবত ধনী কোনো নাগরিক এর চেয়ে আধুনিক বাড়িতে অবস্থান করে থাকতে পারেন। জনগণের অঢেল ভালোবাসা ধর্মীয় বা অন্য নেতাদের পাথেয়। রাষ্ট্র হিসেবে ইরান এখন বিশ্বে অনন্যসাধারণ। পশ্চিমা বিশ্বও এখন ইরানকে সমীহ করে।
অধ্যাপক ড. শাহ কাউসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী : সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উযমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী দেশী-বিদেশী অতিথিদের উদ্দেশে যে বক্তব্য দেন তা ছিল উঁচু নৈতিকতা, আধ্যাত্মিকতা ও পাণ্ডিত্যপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য ছিল জাতিগত ও গোষ্ঠীগত সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ও অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী। তিনি বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিকে ইতিহাসের ফেরআউনী আমলের সাথে তুলনা করে একটি দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা পেশ করেন। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাহবার ও প্রেসিডেন্ট উভয়ের বক্তব্যই ছিল ঐকব্যদ্ধ মুসলিম উম্মাহকেন্দ্রিক যা আমাদেরকে অভিভূত করেছে।
প্রশ্ন : তেহরানের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, নারী-পুরুষের বিচরণ সম্পর্কে আপনার সংক্ষিপ্ত সফরে লক্ষণীয় বিষয়ে কিছু বলবেন কি?
জনাব ফয়েজ আহমেদ ভূঁইয়া : যাওয়া-আসার মধ্যে যেটুকু দেখা গেছে ইরানের রাস্তাঘাট পরিষ্কার এবং সুন্দর। অবকাঠামোগতভাবে পশ্চিমা বিশ্বকে অন্ধভাবে অনুকরণ লক্ষ্য করা যায় নি। তিন দিনই সম্মেলনকেন্দ্রিক অব্যাহত প্রোগ্রামের কারণে সাধারণ মানুষের বিচরণ তেমন লক্ষ্য করতে পারি নি।
অধ্যাপক ড. শাহ কাউসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী : ইরানের রাস্তাঘাট ও সার্বিক পরিবেশ অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন, বাহুল্যবর্জিত অথচ নান্দনিক। এ অবস্থাটি আমরা প্রত্যক্ষ করেছি তেহরান ও মাশহাদের সর্বত্র। নারী-পুরুষ সকলেই ইসলামি ও রাষ্ট্রীয় নীতিমালা অনুসরণ করে গতিশীলভাবে বিচরণ করছে যা অন্যান্য দেশের মানুষের কাছে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
প্রশ্ন : নিউজলেটারের পাঠক ও বাংলাদেশের জনগণের উদ্দেশে কিছু বলুন।
উত্তর : বাংলা মাধ্যমে প্রকাশিত নিউজলেটার পত্রিকাটি ভালো। সারা পৃথিবীতে মানুষ যে সমস্যাগুলো মোকাবেলা করে থাকে তা হলো ভাষা। ইরান ফারসি ভাষাভাষীর দেশ। বিশ্বে বিভিন্ন ভাষাভাষীর মুসলমান আছে। তথ্যগুলো যত বেশি স্ব স্ব দেশের জনগণের মাতৃভাষায় আদান-প্রদান হবে বোধগম্যতা ততই বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশের জনগণ নিউজলেটার পড়ে উপকৃত হবেন বলে আমার বিশ্বাস।
অধ্যাপক ড. শাহ কাউসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী : ইসলামের মানবীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা, আধ্যাত্মিকতা, অন্য ধর্মের জনগণের প্রতি সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি যা আমরা বাংলাদেশে অনুসরণ করছি তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাই। মহানবী (সা.)-এর আদর্শকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা, নবীজি (সা.), হযরত ফাতেমা ও আহলে বাইতকে জানা ও আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করলে আমরা ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সাফল্য লাভ করব।