সোমবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

রাহবার আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর বাণী থেকে

পোস্ট হয়েছে: আগস্ট ৬, ২০১৩ 

news-image

আমাকে এবং আপনাদের সকলকে এই বিরাট খোদায়ী দায়িত্ব উপলব্ধি ও অনুধাবন করতে হবে। আমরা পৃথিবীর জন্য উদাহরণ। পবিত্র কোরআনের ভাষায় : তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ হবে।’ (সূরা বাকারা : ১৪৩)। আপনারা হচ্ছেন সেই মানব সমাজ যাদের কর্মকা- প্রত্যক্ষ করছে গোটা বিশ্ব। আমাদের দায়িত্ব হলো বিগত বছরগুলো ধরে ইরানী জনগণ বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের অন্তরে ও দৃষ্টিতে যে আসন অর্জন করেছে তা সংরক্ষণ করা। আমাদেরকে অবশ্যই নির্যাতিত মানুষের অন্তরে সৃষ্ট আশা এবং শত্রুর অন্তরে সৃষ্ট ভীতি বজায় রাখতে হবে।

আমরা কাউকেই বিপ্লবের মূল্যবোধকে ব্যর্থ ও হেয় করতে দেব না। বিপ্লবী মূল্যবোধ, বিপ্লবের সাফল্য এবং সমাজের ইসলামী পরিবেশ সকল মানুষের সম্পদ, তাকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে। যৌন অনাচার, আর্থিক ও নৈতিক দুর্নীতি বিস্তারের মাধ্যমে ভেতর থেকে আমাদের বিপ্লবকে দূষিত করার জন্য শত্রুরা কোন চেষ্টা চালালে তা ব্যর্থ করে দিতে হবে। নারী-পুরুষ, নির্বিশেষে আপনাদের প্রতিটি লোককে আপনাদের বিপ্লব, আপনাদের ইসলাম, আপনাদের কর্মকর্তাদের, আপনাদের সাফল্য এবং আপনাদের বিশ্বাসকে হামলাকারীদের মোকাবিলায় রক্ষা করতে হবে, সাহসী সেবাকর্মীর মানসিকতা নিয়ে নিজেদের বাড়ি ও পরিবারকে হেফাজত করার মতো করে।

সমাজে ইসলাম যদি এমন অবস্থায় থাকে যে তা তাদের (শত্রুদের) স্বার্থ বিঘ্নিত করছে না তাহলে তারা তার বিরোধিতা করবে না। শয়তানি শক্তি, জুলুম-নির্যাতন ও বঞ্চনা-বৈষম্যের মোকাবিলা যে ইসলাম করে না, তার বিরোধিতা কেউই করে না। তারা (ইসলামের দুশমরা) বিরোধিতা করে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু-এর ইসলামকে। যে ইসলাম মানবতাকে সমর্থন করে তারা (শত্রুরা) সেই ইসলামের বিরোধিতা করে।

আমরা ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করা, মুসলিম জনগণকে রক্ষা করা, ইসলামী চেতনা ও মূল্যবোধকে জাগ্রত করা, সমাজ থেকে অত্যাচারের মূলোৎপাটন, তদস্থলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইনসাফ থেকে বঞ্চিত জনগণকে সাহায্য করার লক্ষ্যে এই পথকে বেছে নিয়েছি।

(নিউজলেটার, ফেব্রুয়ারি ১৯৯২)