মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

English

মানবেতিহাসের সর্ববৃহৎ জমায়েত ‘আরবাঈন’

পোস্ট হয়েছে: অক্টোবর ৭, ২০২০ 

news-image

মাহদি মাহমুদ : আরবাইন শব্দের অর্থ চল্লিশ।পারিভাষিক অর্থে- শেষ নবী মোহাম্মদ(সা) এর কনিষ্ঠ দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা) এর শাহাদাতের চল্লিশ দিন উপলক্ষে প্রতিবছর কারবালার ময়দান অভিমুখে যে শোক-পদযাত্রা বা পিলগ্রিমেজ পালন করা হয় তাকে আরবাঈন বলে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ হযরত মুহাম্মদ(সা) এর একজন বিশিষ্ট এবং প্রবীন সাহাবী ছিলেন জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আল আনসারী(রা)।রাসুল(সা) এর মৃত্যুর পরেও বহুদিন তিনি বেঁচে ছিলেন।ইমাম হোসেনের পক্ষে যুদ্ধ করার প্রবল ইচ্ছা এবং আকুলতা থাকার পরেও অন্ধত্ব এবং বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি কারবালায় ইমাম হোসেনের সাথী হতে অসমর্থ হন। কিন্তু যখন তিনি শুনতে পারেন যে,ইমাম হোসেন নবী অংশের সদস্যদের নিয়ে কারবালার প্রান্তরে শহীদ হয়েছেন তখন তিনি শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন এবং তার দাস আতিয়া ইবনে সা’দকে নিয়ে কারবালার পথে যাত্রা শুরু করেন।এবং ইমাম হোসেন এর শাহাদাতের চল্লিশতম দিনে কারবালার প্রান্তরে এসে পৌছান।কাকতালীয়ভাবে তার কিছুদিন আগেই ইমাম হোসেনের পরিবারের নারীগন এবং ইমাম হোসেনের একমাত্র জীবিত সন্তান ইমাম জয়নুল আবেদীন(যাদেরকে কারবালার প্রান্তর থেকে আটক করা হয়)দামেষ্কে ইয়াজিদের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন।এবং ইমাম হোসেনের চল্লিশার দিনে তারাও কারবালার প্রান্তরে উপস্থিত হন।

জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ আল আনসারী(রা) কারবালার প্রত্যক্ষদর্শী ইমাম হোসেনের সন্তান ইমাম জয়নুল আবেদীণের থেকে কারবালার ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে শুনলেন।এবং তিনি,ইমাম জায়নুল আবেদীন এবং নবী(সা) এর পরিবারের নারীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।এবং ইমাম হোসেনের কবর জেয়ারত করেন।

ইমাম জায়নুল আবেদীন নবীর(সা) এর আহলে বায়েতের(বংশধারা) সদস্য হিসেবে শিয়া এবং সুন্নী উভয় ধারার মুসলমানের নিকটেই আকাশসম সম্মানের অধিকারী।মুলত রাসুলের সাহাবী জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ আল আনসারী(রা)র কাজ,ইমাম জায়নুল আবেদীনের নির্দেশ এবং পরবর্তী জমানায় রাসুলের বংশধারা এবং তাবেঈন ও তাবাতাবেঈনগনের পালিত রীতিঅনুসারে ইমাম হোসেন এর চল্লিশা উপলক্ষ্যে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নাজাফ হয়ে কারবালার পথে পদযাত্রা করাকেই আরবাঈন হিসেবে গন্য করা হয়।

তবে আরবাঈন নামক পদযাত্রার সমসাময়িক রাজনৈতিক তাৎপর্য কোন অংশে কম নয়। সাবেক স্বৈরশাসক সাদ্দাম হোসেনের সময়ে ইরাকে প্রকাশ্যে হজরত ইমাম হোসেনের কবর জিয়ারত করতে যাওয়া,পবিত্র আশুরা পালন করা কিংবা আরবাঈনের পদযাত্রা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিলো। কাউকে এর কোনো একটি করার দায়ে আটক করা হলে নিষ্ঠুরভাবে তাকে হত্যা করা হতো ।মুলত সম্পূর্ণ সেকুলার সাদ্দাম হোসেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানের সাথে ১০বছর মেয়াদী প্রক্সি যুদ্ধের পর যখন মার্কিনীরা সাদ্দামকে ছুড়ে ফেলে দেয়,তখন দেশের জনগনের রোষের মুখে নিজের ক্ষমতা আকড়ে থাকার তাগিদে সে দেশে শিয়া-সুন্নী সাম্প্রদায়িক বিভক্তিকে উষকে দেয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়াদের কে নির্বিচারে হত্যা করার মাধ্যমে সুন্নী জনগোষ্ঠী এবং সৌদী আরবের মন জুগিয়ে চলার চেষ্টা করেন।

ইমাম হোসেন প্রত্যেক যুগেই ন্যায়বান মুসলমানদের জন্যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে শিকল-ভাঙ্গার প্রতীক হয়ে রয়েছেন। সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর দেশের শিয়া জনগোষ্ঠি নিজেদের শক্তি ও প্রতিবাদের জানান দেয়ার জন্যে আরবাঈনের পদযাত্রাকে পুনর্জীবিত করেন।

গত ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সালের আরবাইন পর্যন্ত প্রতিবছরই “বাৎসরিক সর্ববৃহৎ শান্তিপুর্ন মিলনমেলা” হিসেবে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য গনমাধ্যমে স্থান করে নিয়েছে।
২০০৮ সালে প্রায় নব্বই লাখ মানুষ এতে অংশ নেয়। ২০০৯ সালে তা এক কোটি ছাড়িয়ে যায়।(বিবিসি এবং প্রেস টিভির তথ্যানুসারে)২০১৩ সাল নাগাদ তাও দু’কোটি পেরিয়ে যায়।(আল আলাম এবং দ্য ইন্ডিপেন্টেন্ট এর তথ্যানুসারে।) আইসিসের উত্থান এবং শীয়াদের উপর নৃশংস হত্যাযজ্ঞের পরেও ২০১৪ সালে টেলিগ্রাফের হিসাবানুসারে এক কোটি নব্বই লক্ষ এবং ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে আনুমানিক এক কোটি সত্তর লাখ মানুষ এতে অংশ নেয় বলে জানা যায়।(বিবিসি,দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং এসবিএস নিউজ)।তবে ইরাকী সরকারী হিসাবমতে ২০১৬ সালে উপস্থিত জিয়ারতকারীর সংখ্যা ছিলো কমপক্ষে দু’কোটি বিশ লক্ষ।কিন্তু পরবর্তী বিস্তারিত হিসাব অনুসারে দুকোটি ছাব্বিশ লাখ।যা কিনা মুসলমানদের পবিত্র সবচেয়ে পবিত্র হজ্জব্রতে উপস্থিতির চেয়ে কমপক্ষে পাঁচ গুন বেশী।

আরবাঈনের মূল আয়োজন শুরুর অনেক আগেই এবছর(২০১৯) বিশ লক্ষাধিক ইরানী জিয়ারতকারী ইরাকে প্রবেশ করেছেন।ধারনা করা হচ্ছে যে,এবছর ইমাম হোসেনের জিয়ারতকারীর সংখ্যা তিনকোটি ছাড়িয়ে যাবে।

উল্লেখ্য “মানবেতিহাসের সর্বোচ্চ মানব জমায়েত” এর তালিকায় “আরবাইন” দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বার্ষরিক সর্বোচ্চ মানব-জমায়েতের তালিকায় এর অবস্থান প্রথমে।কেননা,হিন্দু ধর্মাবলম্বিগনের পবিত্র কুম্ভমেলা -যা কিনা মানবেতিহাসের সর্বোচ্চ জনসমাগম(২০১৩) সেটি প্রতি তিন বছর অন্তর একবার করে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
তাকফিরি জংগিদের হুমকি,হামলা ও আগ্রাসন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সারা দুনিয়া থেকে ছুটে আসছেন হযরত ইমাম হোসেনের প্রেমিকগন।এবং প্রতি বছর তাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।আরো উল্লেখযোগ্য যে,আরবাইন ও ইমাম হোসেইনের শাহাদাতের ঘটনায় শোকপ্রকাশ শিয়া মুসলমানগনের ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত হলেও আরবাইন উপলক্ষে কারবালায় ছুটে আসছেন অসংখ্য সুন্নি মুসলমান,খ্রিস্টান-ভ্যাটিকানের প্রতিনিধি,হিন্দু,ইয়াজেদি,জোরেস্ট্রিয়ান, সাবেয়িন,অধার্মিক,আজ্ঞেয়বাদী কিংবা নাস্তিকগোঁ।যারা ধর্মীয় চেতনায় না হলেও আদর্শের প্রশ্নে ইমাম হোসেইন-প্রেমিক।

হাফিংটনপোস্টে প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ মাহদি আল মুদাররেসি তার নিজস্ব কলামে,কারবালার পথে আরবাইনের পদযাত্রায় অংশগ্রহন করে, নিজের অনুভুতি এমনভাবেই প্রকাশ করেছেন,”নারী-পুরুষ এবং শিশুদের পদযাত্রা-যেন তুষারধসের মত(এগিয়ে চলেছে)।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, কালো চাদরে ঢাকা নারীদের অবস্থান-দিগন্তের একমাথা থেকে আরেক মাথা অবধি বিস্তৃত।”তার আরবাইন শীর্ষক কলাম( World’s Biggest Pilgrimage Now Underway, And Why You’ve Never Heard of it!) যেটি কিনা ব্যাপক আলোড়ন সৃস্টি করে,তাতে এটিও জানা যায় যে,বসরা থেকে কারবালা পর্যন্ত সুদীর্ঘ ৪২৫ মাইল পথ -দু’সপ্তাহের প্রচেস্টায়-পায়ে হেটে পার করেন অনেক শোকযাত্রী।

বিনামুল্যে সকাল-দুপুর ও রাতের খাবার এবং অন্যান্য সেবাঃ মাহদি আল মোদাররেসির কলামে এ সম্পর্কে,”তীর্থযাত্রীদের জন্যে যাত্রাপথের অন্যতম একটি আকর্ষন হলো অস্থায়ী রান্নাঘর যুক্ত হাজার হাজার তাবু(যেগুলোকে মাওয়াকিব বলা হয়),যেগুলো পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসীগন তীর্থযাত্রীগনের খেদমতের জন্যে পত্তন করে থাকেন।তাবুগুলোতে তীর্থযাত্রীগন দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী বিনামুল্যে পেয়ে থাকেন।স্বাস্থকর খাবার থেকে শুরু করে বিশ্রামের স্থান পর্যন্ত, বিদেশে ফোন-যোগাযোগের সুবিধা,বাচ্চাদের ডায়াপার –সবই বিনামুল্যে। ৪০০ মাইল যাত্রাপথে তীর্থযাত্রীদের এককথায় কোন কিছুই নিজ থেকে বহন করা লাগেনা।এরচেয়েও অভাবনীয় হচ্ছে,যেভাবে তীর্থযাত্রীদের খাদ্যগ্রহনে নিবেদন করা হয় সেটি।রাস্তার মোড়ে মোড়ে যাত্রীকে পথরোধ করবেন এলাকাবাসী ইমাম-ভক্তগন।এবং বিনামুল্যে খাদ্যগ্রহনে বাধ্য করবেন তারা। যেই খাবার প্রায়ই একজনের জন্যে “রাজার খাবার” পরিমানে হয়ে থাকে।তবে তার আগে ক্লান্ত-শ্রান্ত যাত্রীর পা-ম্যাসেজ করে দেবেন স্বেচ্ছাসেবীরা।এরপর তারা পদযাত্রীকে বিশ্রাম নিতে অনুরোধ করবেন-যতক্ষন তারা(সেচ্ছাসেবীগন) তার(যাত্রীর) জামা-কাপড় ধুয়ে-শুকিয়ে ইস্ত্রী করেন সেই পর্যন্ত(পুরোটাই যাত্রীর সম্মানে-বিনামুল্যে অবশ্যি)।…….।একজন স্বেচ্ছাসেবির ভাষায়,”ইসলামের শিক্ষা সম্পর্কে জানতে চাইলে, কতিপয় নরপশু-জংগির দিকে নজর না দিয়ে বরং আরবাইন উপলক্ষে নিঃস্বার্থ ত্যাগের নজিরগুলোর দিকে মনোযোগ দেয়াটাই বাঞ্চনীয়।”

বিভিন্ন সাক্ষাতকার থেকে আরো জানা যায় যে,দীর্ঘ ১১টা মাস দারিদ্র্য ও যুদ্ধপীড়িত ইরাকীরা নিজেরা না খেয়ে কিংবা অর্ধাহারে থেকে,মুল্যবান দ্রব্যাদী বিক্রয় করে সারা দুনিয়া থেকে আসা আসা ইমাম হোসেনের জিয়ারতকারীদের জন্যে বিনামুল্যে এই খানা-খাদ্য এবং ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের ব্যবস্থা করেন।আরবাইন উপলক্ষে ইমাম হোসেইনের ভক্তগন কারবালা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন কেউবা নাযাফ শহর থেকে যেখান থেকে কারবালার দুরত্ব ৫৫ মাইল আর কেউবা যাত্রা শুরু করেন বসরা শহর থেকে ;কারবালা পৌছতে সেক্ষত্রে অতিক্রম করা লাগে ৪২৫ মাইল।এই বিশাল দুরত্বে পদে পদে পুতে রাখা বোমার ভয়,অপহৃত হওয়ার ভয়।সেই ভয়কে জয় করে বিভিন্ন পেশা-শ্রেনীর নারী,পুরুষ, শিশু,যুবক,মৃত্যুপথযাত্রী কিংবা গুরুতর পঙ্গু-বধির-অন্ধ হোসেইনপ্রেমীরা সমস্বরে স্লোগান তোলেন,”যদি তারা(আইএস) আমাদের পা এবং হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে দেহ হতে,তবুও আমরা এই পবিত্র ভূমির পানে ছুটে আসবই!”

কেনো এই দু কোটি ষাট লক্ষ মানুষের শান্তিপুর্ন মিলনমেলা?যেখানে,কোন তীর্থব্যবসা নেই।কোন চটকদার নোংরামি নেই।নেই সুরম্য অট্টালিকা-শততলা স্কাইস্ক্রেপার।নেই ক্লক-টাওয়ার।কি উদ্দেশ্যে হুইলচেয়ারে কিংবা ক্রাচে নির্ভর পঙ্গু কিংবা হাতে লাঠি নিয়ে একজন অসহায় অন্ধ ৪০০ মাইল পার হয়ে কারবালায় ছুটে আসেন?কি জন্যে একজন বৃদ্ধ পিতা তার প্রতিবন্ধি সন্তান কে কাঁধে করে বসরা থেকে কারবালা অবধি ছুটে আসেন?কি জন্যে মিম্বরের সাদা পাগড়ি পরা আলেম স্বেচ্ছাসেবীগনের সাথে রাস্তায় বসে তীর্থযাত্রীদেরকে ফল বিতরন করেন কিংব তাদের জুতো পালিশ করেন? কেনো ইউরোপ,আমেরিকা ও এশিয়া থেকে দুই কোটির অধিক মানুষ কারবালায় ছুটে আসেন শুধু ইমাম হোসেইনের প্রেমে;যখন এই তীর্থযাত্রা মোটেও কোনো অবশ্যপালনীয় ধর্মীয় আচার নয়!

না! মিডিয়ায় মুহাররম বলতে চাকু দিয়ে নিজের পিঠে আঘাত করে যে রক্তপাত দেখানো হয়-সেই উদ্দেশ্যে এই তীর্থযাত্রা নয়।শুধু ক্রন্দন কিংবা “ইয়া হোসেইন” বলে বুক চাপড়ানোও উদ্দেশ্য নয়।এই বিপদসংকুল পদযাত্রার পেছনে কোনো “বিষাদদসিন্ধু” শ্রেনীর বানোয়াট মুখরোচক কাহিনী প্রেরনা-দর্শন হিসেবে নিহিত নেই।

কারবালা হলো সকল অন্যায়,অসাম্য,অবিচার-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতি পদক্ষেপে নিজের সীমিত শক্তি দিয়ে প্রবলভাবে রুখে দাড়ানোর প্রেরনা;যা কিনা শুধু শিয়া কিংবা সুন্নি মুসলমান নয় বরং সমগ্র মানবতার জন্যেই প্রযোজ্য।

“পরিশেষে তুমি যদি কোনো ধর্মেই বিশ্বাসী না হও,কিংবা পরকাল অস্তিত্বে অবিশ্বাস করো;তাহলেও অন্তত জুলুম করা ও ঔদ্ধত্য প্রদর্শন থেকে বিরত থাকো।”

ইমাম হোসেইন(শাহাদাতের আগ মুহুর্তে ইয়াজিদি সৈন্যদের উদ্দেশ্যে)

“এটা উত্তম যে তুমি তোমার পায়ে দন্ডায়মান অবস্থায় মৃত্যুবরন করবে-হাটু গেড়ে আত্নসমর্পন করে নয়।”
-ইমাম হোসেইন

“মানবতাকে জাগ্রত করো;অত:পর সবাই হোসেইন কে নিজের বলে দাবি করবে।”
-পদ্মভূষন প্রাপ্ত সাহিত্যিক জস মালিহাবাদি

“আমি মনে করি ইসলাম তরবারির জোরে নয় বরং ইমাম হোসেইনের চরম আত্নত্যাগের ফলেই বিকশিত হয়েছে।….।মজলুম অবস্থায় কিভাবে বিজয় অর্জন করতে হয় আমি তার শিক্ষা পেয়েছি ইমাম হোসেইনের কাছ থেকে। ভারত যদি একটি বিজয়ী রাস্ট্র হতে চায় তাহলে তাকে ইমাম হোসেইনের আদর্শশ অনুসরন করতে হবে।ইমাম হোসেইনের ৭২ জন সেনার মত সেনা যদি আমার থাকতো তাহলে আমি ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ভারতের স্বাধীনতা এনে দিতে পারতাম।”
-মহাত্মা গান্ধী

তথ্যসুত্রঃ তথ্যসুত্রঃ
১)https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/20-million-muslims-march-against-isis-arbaeen-pilgrimage-iraq-karbala-a7436561.html
২) https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/one-of-the-worlds-biggest-and-most-dangerous-pilgrimages-is-underway-9882702.html
৩) http://www.sbs.com.au/news/article/2014/12/14/arbaeen-pilgrimage-iraq-175-million-defy-threat
৪) https://www.bbc.com/news/world-middle-east-30462820
৫) https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/arbaeen-pilgrimage-kerbala-shia-isis-defeat-muslims-thousands-killed-middle-east-iraq-najaf-a8046621.html
৬) https://web.archive.org/web/20151006133406/http://www.telegraph.co.uk/news/newstopics/howaboutthat/11354116/The-ten-largest-gatherings-in-human-history.html
৭) http://www.ibtimes.co.uk/arbaeen-worlds-largest-annual-pilgrimage-millions-shia-muslims-gather-karbala-1531726
৮) https://www.alaraby.co.uk/english/news/2016/11/16/iraq-prepares-for-biggest-shia-muslim-arbaeen-gathering-in-history
৯) http://nation.com.pk/05-Nov-2017/arbaeen-a-spiritual-walk
১০)World’s Biggest Pilgrimage Now Underway, And Why You’ve Never Heard of it!–https://bit.ly/2VKDvln