শনিবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

‘মহাবিশ্ব অস্থিতিশীল: হাজার কোটি বছরের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যাবে’

পোস্ট হয়েছে: মার্চ ৩, ২০১৩ 

news-image

শীর্ষস্থানীয় এক বিজ্ঞানী বলেছেন,আমরা যে মহাবিশ্বে বসবাস করি তার আয়ু সীমিত এবং আজ থেকে এক হাজার কোটি বছর পরে তা হয়ত তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

 আমেরিকার ইলিনয়েস অঙ্গরাজ্যের বাটাভিয়ার ফার্মি জাতীয় ত্বরণ গবেষণাগার বা ন্যাশনাল অ্যাক্সেলেটর ল্যাবরেটিসের তাত্ত্বিক পদার্থবিদ জোসেফ লিককেন এ কথা বলেছেন।

 মার্কিন বিজ্ঞান উন্নয়ন বিষয়ক এক সম্মেলনে এ সংক্রান্ত  নিজ পেপার উপস্থাপনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এ কথা জানান তিনি। বিশ্বের সর্ববৃহত এবং সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরণ যন্ত্র ইউরোপের লার্জ হার্ডন কলাইডর নিয়ে যে বিজ্ঞানী দলটি কাজ করছেন সে দলে অন্যতম সদস্য জোসেফ লিককেন।

 গত বছর হিগস বোসন কণা আবিষ্কারের পরিপ্রেক্ষিতে এ নিয়ে বিস্তারিত ভাবে কাজ করতে যেয়ে মহাবিশ্ব ধ্বংসের এ তত্ত্ব বের করেছেন বিজ্ঞানীরা। মনে করা হয়ে বস্তুর ভর নির্ধারণ করে হিগস বোসন কণিকারাজি।

 জোফেস লিখখেন বলেন, আমরা পদার্থবিদ্যার যতোটুকু জেনেছি তার ভিত্তিতে যদি সরাসরি হিসাব-নিকাষ করি তবে  একটি দুঃসংবাদই স্পষ্ট হয়ে ওঠে; আর সেটি হলো যে মহাবিশ্বে আমরা বসবাস করছি তা মারাত্মক ভাবে অস্থিতিশীল। আজ থেকে হাজার কোটি বছরের মধ্যে এ মহাবিশ্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

 তিনি আরো জানান, মহাবিশ্বের কোথা ক্ষুদ্র বুদ্বুদ আকারে বিকল্প একটি ‘বিশ্বের’ উদয় হবে এবং তাই সম্প্রসারিত হয়ে আমাদের মহাবিশ্বকে ধ্বংস করে দেবে।

 এ হিসাব বের করার জন্য হিগস বোসনের ভর এক শতাংশ হলেও সঠিক ভাবে জানার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অব-আণবিক কণিকারাজির ভরও জানতে হবে।

 অবশ্য হিগস বোসন কণিকারাজি মহাবিশ্বে প্রলয় শুরুর অনেক আগেই পৃথিবী নামের আমাদের এই পরিচিত সুনীল গ্রহটি ধ্বংস হয়ে যাবে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন,  আমাদের এই সৌরমণ্ডলীকে নির্ভর করতে হয় সূর্যের ওপর এবং আজ থেকে সাড়ে পাঁচশ কোটি বছরের মধ্যে দানবাকৃতি লোহিত নক্ষত্রে রূপান্তরিত হয়ে নিজ মণ্ডলীসহ চারপাশের সব ধ্বংস করে দেবে সূর্য ।

রেডিও তেহরান