বৃহস্পতিবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ৩০শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নওরোজ উদযাপন

পোস্ট হয়েছে: মার্চ ২০, ২০১৬ 

news-image

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানসহ বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ আজ ২০শে মার্চ নওরোজ বা ফারসি নতুন বছর উদযাপন করছে। ইরানের বাইরে যেসব দেশে নওরোজ উদযাপিত হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে আজারবাইজান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান এবং তুরস্কের অংশ বিশেষ। এছাড়া, আমেরিকা ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ইরানি নাগরিকরা নওরোজ উদযাপন করছেন।

নওরোজ মূলত নিয়ে আসে বসন্তের আগমনী বার্তা। প্রচণ্ড শীতের জড়সড়ো ভাব কাটিয়ে প্রকৃতিতে লাগে প্রাণের ছোঁয়া। ইরানি জনগণও যেন জেগে ওঠেন নতুন করে। চারদিকে বয়ে যায় খুশির হিল্লোল। নওরোজ উদযাপনের জন্য ইরানিদের মাঝে নানা রকম প্রস্তুতি চলতে থাকে প্রায় মাসব্যাপী।

ইরানে নওরোজ উদযাপনে রয়েছে বেশ কিছু প্রথা। নওরোজ শুরুর আগেই লোকজন তাদের ঘর-বাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে, নতুন জামা-কাপড়সহ নানা জিনিসপত্র কেনাকাটা করে। তবে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় ঘর সাজানোর সামগ্রি কেনাকাটায়।

জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী, নওরোজের আগমন উপলক্ষে এ দিন সকালে সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়ি বাড়ি লোকজন অপেক্ষা করে ফারসি ‘হাফত সিন’ বা সাতটি উপদান সামনে নিয়ে। উপাদানগুলো হচ্ছে আপেল, সবুজ সবজি, সিরকা, গমের নতুন গজানো চারা, শুকনো ফল, স্বর্ণ মুদ্রা এবং রসুন। এ উপাদানগুলো হাফতে সিন বলা হয় এ কারণে যে, প্রতিটি উপাদানের নাম ফারসি অক্ষর ‘সিন’ দিয়ে শুরু হয়। এর সঙ্গে অনেক পরিবার রাখে পবিত্র কুরআন শরীফ। এছাড়া, কাচের পাত্রে রঙিন মাছও অনেকটা অপরিহার্য উপাদান হয়ে উঠেছে।

ইরানে নওরোজ উদযাপনের একটি বড় রেওয়াজ হচ্ছে- বয়স্ক আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা করার জন্য বাড়ি বাড়ি যাওয়া। এ সময় ছোটদেরকে দেয়া হয় নানা রকম উপহার সামগ্রি।

২০১০ সালে জাতিসংঘ ২১ মার্চকে আন্তর্জাতিক নওরোজ দিবস বা ফার্সি নতুন বছর ঘোষণা করেছে। সূত্র:আইআরআইবি