শনিবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

পারস্য উপসাগরকে ‘বন্ধুত্বের সাগরে’ পরিণত করা সম্ভব: ইরান

পোস্ট হয়েছে: মে ২, ২০১৭ 

news-image

পারস্য উপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ। তিনি বলেছেন, বিদেশি হস্তক্ষেপ ছাড়াই এ অঞ্চলের দেশগুলো স্বাধীনভাবে নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে পারে।

রোববার জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস উপলক্ষে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লেখা এক মন্তব্যে এ আহ্বান জানান জারিফ। তিনি বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আঞ্চলিক দেশগুলো তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং হুমকির মোকাবিলায় আত্মরক্ষা করতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বড় শক্তিগুলো পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে এবং সংকট ও যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে এ অঞ্চলে ধ্বংসাত্মক ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, ইরান আঞ্চলিক সংকট নিরসনে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে।

জারিফ তার পোস্টে আরো লিখেছেন, “কিছু মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পারস্য উপসাগরের উভয় তীরের অধিবাসীরা এই পানিসীমাকে বন্ধুত্বের সাগরে পরিণত করতে পারি।”

আড়াই হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে বর্তমান ইরানে হাকামানেশিয় সম্রাট পারস্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় পানিসীমা পারস্য উপসাগর হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রতিটি ইতিহাসগ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সত্য উঠে আসলেও কিছু আরব দেশ সাম্প্রতিক সময়ে এই উপসাগরের নাম থেকে ‘পারস্য’ শব্দটি মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।

ইরান উপসাগরটির ঐতিহাসিক নাম অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে প্রতি বছর ৩০ এপ্রিলকে জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস হিসেবে পালন করছে।  ১৬২২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে ইরানের সাফাভি সম্রাট ‘প্রথম শাহ আব্বাস’ হরমুজ প্রণালি থেকে পর্তুগীজ উপনিবেশবাদী বাহিনীকে হটিয়ে দিয়েছিলেন। সূত্র: পার্সটুডে।