রবিবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

পর্দা নামলো ৫ দিনব্যাপী ইরানি চলচ্চিত্র উৎসবের

পোস্ট হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৭ 

news-image

ইরানের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মাজিদ মাজিদির দি সংস অব স্প্যারো ও বাংলায় ডাবিংকৃত ইরানি চলচ্চিত্র পারান্দে কুচেকে খোশবাখতি( একটি সুখের ছোট্ট পাখি ) প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে বুধবার পর্দা নামলো ৫ দিনব্যাপী ইরানি চলচ্চিত্র উৎসবের। প্রদর্শনীর শেষ দিনেও দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ৩৮তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে শুরু হয় এ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের যৌথ উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী এ চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভায়েজী দেহনাভী ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইকবাল হোছাইন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ খান মেনন বলেন, ইরানি চলচ্চিত্র আজ বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমাদৃত। অস্কারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাচ্ছে ইরানি চলচ্চিত্র। তিনি বলেন, ইরানের ইসলামী বিপ্লবের পর দেশটির চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। ইরানের কবি সাহিত্যিকদের বহু বই বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এরমাধ্যমে প্রমাণিত হয় ইরানের সাথে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক কত গভীর। তিনি শিল্প, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম বলেন, ইসলাম যে শান্তির ধর্ম তা ইরানের ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। ইমাম খোমেনী (র.) ইরানি চলচ্চিত্র সম্পর্কে বলেছিলেন, বিপ্লবের পূর্বে চলচ্চিত্রের অপচয় হয়েছে। ইমাম খোমেনী এ অবস্থার পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। বর্তমানে আমরা তার কারণ দেখতে পাচ্ছি। ইরানি চলচ্চিত্র আজ বিশ্বব্যাপী দারুণভাবে সমাদৃত।