শুক্রবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

কুরআনের শক্তির কাছে অপশক্তিগুলো অচল: সর্বোচ্চ নেতা

পোস্ট হয়েছে: জুন ৯, ২০১৬ 

news-image

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, কুরআনের শিক্ষাগুলো মানবজাতির কাছে তুলে ধরা হলে ও তা বাস্তবায়ন করা হলে ইহুদিবাদী ইসরাইলসহ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর অস্ত্র ও শক্তি মুসলমানদের কোনো ক্ষতিই করতে পারবে না। মঙ্গলবার বিকেলে পবিত্র রমজানের প্রথম দিনে পবিত্র কুরআনের-অনুরাগ মাহফিলে এই মন্তব্য করেছেন।

পবিত্র কুরআনের ভাষা ও শব্দের সৌন্দর্য এক অলৌকিক বিষয় এবং এর মধ্য দিয়ে এ মহাগ্রন্থের উচ্চতর ও সারগর্ভ নানা বার্তার দিকে আকৃষ্ট হওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, পবিত্র কুরআনের অর্থ বা বার্তার সঙ্গে পরিচয়ের অন্যতম কল্যাণ ও বরকত হল আত্মিক এবং ধর্মীয় প্রশান্তি লাভ। আর এই প্রশান্তি মহান অল্লাহ ও খোদায়ী শক্তির প্রতি মানুষের ইমান বাড়ানোর পরিবেশ গড়ে তোলে।

হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, নানা সংকট, দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও জটিলতায় ভরপুর বর্তমান বিশ্বে কুরআনের অর্থ ও শিক্ষা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেছেন, কুরআনের উচ্চতর বা গভীর অর্থ যদি সহজ ভাষায় মানুষের কাছে তুলে ধরা হয় তাহলে তা খুব বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে মানুষের ওপর এবং এর মাধ্যমে মানবজাতির প্রকৃত উন্নতির পথ খুলে যাবে। কারণ সম্মান, শক্তি, বস্তুগত কল্যাণ, আধ্যাত্মিক উন্নতি, চিন্তা ও বিশ্বাসের বিকাশ, আত্মিক আনন্দ ও প্রশান্তি পবিত্র কুরআনের বাণী বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভরশীল।

তিনি ইরানে কুরআন বিষয়ক কার্যক্রম, বিশেষ করে ইরানি যুব সমাজের মধ্যে কুরআন চর্চা বিস্তারে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, যদিও পবিত্র কুরআনের ভাষা ও শব্দের সৌন্দর্য এক অলৌকিক বিষয়, কিন্তু এর লক্ষ্য হল এই মহাগ্রন্থের উচ্চতর ও সারগর্ভ নানা বার্তা এবং কল্যাণে ভরপুর জগতে প্রবেশের পথ খুলে দেয়া।

বর্তমান বিশ্বে চিন্তা, বিশ্বাস ও পরিচিতির সংকটের দিকে ইঙ্গিত করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, বর্তমান যুগেও মানবজাতি কুরআনের শিক্ষাগুলোর মুখাপেক্ষী, তাই ইমানের ভিত্তিগুলোকে আরও মজবুত করতে হবে এবং কুরআনের শিক্ষাগুলো মানুষের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরার কৌশলগুলো আয়ত্ত করে এইসব শিক্ষা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আর তা সম্ভব হলেই বিশ্বের ওপর কুরআনের প্রকৃত প্রভাব পড়বে এবং এ অবস্থায় নানা পরাশক্তি আর ইহুদিবাদী ইসরাইলের নানা অস্ত্র ও শক্তি মানুষের কোনো ক্ষতিই করতে পারবে না।