মঙ্গলবার, ১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

English

ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ইসলামী বিপ্লবী সরকারের গতিশীলতার প্রমাণ

পোস্ট হয়েছে: মে ২১, ২০১৭ 

news-image

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে শুক্রবার ইরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১২তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। শনিবার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ড. হাসান রুহানি। তিনি ২ কোটি ৩৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে পুনর্নির্বাচিত হন। তিনি পেয়েছেন মোট ভোটের ৫৭ শতাংশ।

এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভূমিকা, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা থেকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী সরকারের গতিশীলতা ও শক্তিমত্তার বিষয়টিই ফুটে উঠেছে। অতীতের চাইতেও জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা ও নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ বহুগুণে বেড়েছে। জনগণের সমর্থন লাভের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নিজ নিজ কর্মসূচি জনগণের কাছে তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন এবং ফার্সি ৭০ ও ৮০ দশকের নির্বাচনের চাইতেও এবারের নির্বাচনে জনগণে অংশগ্রহণ ছিল নজিরবিহীন।

দেশে অর্থনীতিসহ বিরাজমান নানা সমস্যার ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কর্মসূচিগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে এবং জাতীয় স্বার্থের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে জনগণ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক মাত্রায় অংশগ্রহণ থেকে তাদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সচেতনতার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ কারণে প্রতিবারই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হয়। এবারের নির্বাচনে ৭৩ শতাংশ ভোটারের উপস্থিতি থেকেই জনগণের আগ্রহের প্রমাণ পাওয়া যায়। কারণ নির্বাচন এতটাই প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ছিল যে, কে সর্বোচ্চ ভোট পাবে তা আগে থেকে ধারণা করা কঠিন ছিল।

ভোট কেন্দ্রগুলোর যেসব ছবি প্রকাশিত হয়েছে তাতে একটি বিষয় প্রমাণিত হয়েছে যে, শত্রুদের ব্যাপক অপপ্রচার সত্বেও কোনো রকম উত্তেজনা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ১২তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের শত্রুরা গত একমাস ধরে নির্বাচনকে ঘিরে এমন প্রচার চালিয়েছিল যাতে সহিংস ঘটনা ঘটে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় শত্রুরা হতাশ হয়েছে এবং ইরানের জনগণের ধর্মভিত্তিক শাসনব্যবস্থার শক্তিমত্তা ফুটে উঠেছে। সূত্র: পার্সটুডে।